ওয়েবডেস্ক- বাংলায় দুই দফার নির্বাচনের পর আজ ভোট গণনা। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চলছে ভোটগ্রহণ। ভোট গণনা নিয়ে নির্বাচন কমিশন। এই কাজে সরকারি কর্মচারীরাই সেখানে নিযুক্ত থাকবেন। সরকারি কর্মচারীরাই সেখানে নিযুক্ত থাকবেন বলে আগেই জানানো হয়েছে। গণনার ক্ষেত্রের বিশেষ নজরদারিতে কমিশন। কোনও কারচুপি বা কাজে গাফিলতি লক্ষ্য করা যায়, তাহলে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। এমনকি চাকরিও হারাতে হতে পারে। কমিশন সূত্রে এমনটাই খবর।
উল্লেখ্য, এবার বাংলায় নির্বাচন নিয়ে এবার প্রথম থেকে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বেশ কিছু জায়গায় অনিয়ম নিয়ে লক্ষ্য করা গিয়েছে। যেমন ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের কাজে গাফিলতির খবর যায় কমিশনের কাছে। তাদের শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। সব থেকে বড় বিষয় হল, এই কেন্দ্রের সবকটি বুথে আগামী ২১ মে পুনর্নির্বাচন, ফলপ্রকাশ ২৪ মে। স্ট্রং রুমগুলিতে ইভিএম কড়া নজরদারিতে চলছে গণনা, ২০০ মিটারের মধ্যে কোনও যানজট করতেও নিষেধ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন- ভোটের গণনা শুরু হতেই দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে খুশির আমেজ
পাঁচজনের বেশি জমায়েত করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। পাশাপাশি ৭৭টি গণনা কেন্দ্র কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে রাখা হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে গণনার জন্য ১৬৫ জন কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে থাকবেন আরও অতিরিক্ত অবজার্ভার এবং ৭৭ জন পুলিশ অবজার্ভার। সমস্ত গণনা কেন্দ্রে ১৬৩ ধারা জারি করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর ঘটনার দিকে খবর আসলেই কড়া পদক্ষেপ।
এদিকে কমিশনের তরফ থেকে গাইডলাইন না মানা হলে নির্দেশিকা জানানো হয়েছে। আর গণনা কর্মীদের স্বচ্ছ ও সৎভাবে কাজ করতে হবে। কোনও প্রকার ভুল বরদাস্ত করা হবে না। যদি কাজে কোনও গাফিলতি বা গরমিল দেখতে পাওয়া যায় তাহলে চাকরি চলে যাবে। কমিশনের লক্ষ্য ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন।







