নয়াদিল্লি: কমিশনের নির্দেশ মেনেই হবে গণনা, তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) আবেদনে কোনরকম হস্তক্ষেপ করলো না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বহাল রইল নির্বাচন কমিশনের গত ১৩ এপ্রিলের নির্দেশিকা। শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের কাউন্টিং সুপারভাইজার হিসাবে নিযুক্ত করার মামলায় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করল না শীর্ষ আদালত। বিচারপতি পিএস নরসিমা ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চের নির্দেশ কমিশনের জারি করা নির্দেশিকা যেন যথাযথ পালন করা হয়।
মামলার শুনানি হয় বিচারপতি পিএস নরসিমা ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চে। আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এই নির্দেশিকা জারি করেছে ১৩ এপ্রিল।আমরা ২৯ এপ্রিল জানতে পেরেছি। রাজ্যের প্রত্যেকটা বুথ সমস্যায় পড়তে পারে। সার্কুলার এ বলা আছে একজন করে রাজ্যের নমিনিও রাখতে হবে। নির্বাচন কমিশন আগে থেকেই আশঙ্কা করছে প্রত্যেকটা বুথে সমস্যা হতে পারে। কোথা থেকে এই ডাটা পেল? তারজন্য তারা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী নিযুক্ত করেছে। কিন্তু আমাদের কিছু জানানো হয়নি। একজন করে রাজ্য সরকারি কর্মচারীকে নমিনি হিসাবে নিযুক্ত করা উচিত। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বলেন, কাদের নিযুক্ত করা হবে এটা নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত। প্রত্যেকটা টেবিলে কাউন্টিং এজেন্ট, কাউন্টিং সুপার ভাইজার, একজন মাইক্রো অবজারভার থাকার কথা তার মধ্যে একজন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী থাকলে সমস্যা কিসের? সবাই তো সরকারি কর্মচারী?
আরও পড়ুন: আইপ্যাক দফতরে হানা দেওয়া অফিসারদের পুরষ্কৃত করল ইডি
দামা নাইডু, কমিশনের আইনজীবী বলেন, যিনি রিটার্নিং অফিসার তিনি রাজ্য সরকারি কর্মচারী। তিনি অন্যান্য আধিকারিকদের নিযুক্ত করেন।কপিল সিবাল বলেন, তাহলে সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দেওয়া হোক।দামা নাইডু, কমিশনের আইনজীবী বলেন, ৪৫ দিনের জন্য তা সংরক্ষিত থাকবে।আদালতের নির্দেশ কমিশনের দেওয়া সার্কুলার যেন যথাযথ মেনে চলা হয়।শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট জানাল, ‘রাজ্য সরকারি কর্মী এবং কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের র্যান্ডমাইজেশনের মাধ্যমে গণনার ডিউটিতে কাজে লাগাতে হবে কমিশনকে।







