নয়াদিল্লি: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ। সরকারি ভবন, সংবাদপত্রের দফতরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের উপর নৃশংস অত্যাচারের খবরও প্রকাশ্যে আসছে। ধর্মনিরপেক্ষ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটে আগুন ধরানো হয়। উন্মত্ত জনতার হাতে চট্টগ্রামে খুন হন এক সাংবাদিক। পাশাপাশি, ময়মনসিংহে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় এক হিন্দু যুবককেও। রবিবারও পরিস্থিতি থমথমে। বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসের খুনের ঘটনা নিয়ে কড়া বিবৃতি দিল ভারত। সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক দীপুচন্দ্র দাসকে নৃশংস হত্যায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কড়া পদক্ষেপের বার্তা দেওয়া হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের তরফে। পাশাপাশি দিল্লিতে বাংলাদেশের দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়েও বার্তা দেওয়া হয়েছে ভারতের তরফে।
ময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাস নামের এক যুবককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ নিয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় দীপুর হত্যাকারীদের বিচারের দাবি জানাল ভারত। নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, যারা এই নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে। ঘটনার বিচার করতেই হবে। পাশাপাশি, দিল্লিতে (Delhi) বাংলাদেশ হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) সামনে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের (Bangladeshi Media) একটি অংশে প্রকাশিত খবরকে ‘ভ্রান্ত ও বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করেছে ভারত (India)।
আরও পড়ুন: অশান্ত বাংলাদেশ, চট্টগ্রামের ভারতীয় ভিসা-কেন্দ্র বন্ধ করে দিল নয়াদিল্লি
ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘‘বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নিবিড় ভাবে নজর রেখেছে ভারত। সে দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের আধিকারিকেরা যোগাযোগ রাখছেন। সংখ্যালঘুদের উপর হামলা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন— তা তাঁদের জানানো হয়েছে।পুর নৃশংস হত্যাকাণ্ডে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।







