ওয়েবডেস্ক- মালয়েশিয়া (Malaysia) সফরে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Pm Narendra Modi)। শনিবার সকালে নিজের এক্স-হ্যান্ডেলে পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তার বন্ধু মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের (Malaysian Prime Minister Anwar Ibrahim) আমন্ত্রণে সে দেশে যাচ্ছেন তিনি। মোদি লেখেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বিস্তৃত গভীর। এই সফর দু’দেশের কৌশলগত বোঝাপড়া এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতাকে আরও উৎসাহ দেবে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা হবে। অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।’’ মালয়েশিয়ায় বড় সংখ্যায় ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের বসবাস। মোদি তাঁদের উদ্দেশে লেখেন, কুয়ালা লামপুরের অনুষ্ঠানের তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে।’’
At the invitation of my friend, Prime Minister Anwar Ibrahim, I will be visiting Malaysia, a nation with which India’s ties are deep-rooted and extensive. This visit will boost our Comprehensive Strategic Partnership and enhance cooperation across sectors.
Malaysia is home to a…
— Narendra Modi (@narendramodi) February 7, 2026
২০২৪ সালের আগস্টে দুই দেশের মধ্যে ‘কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ (Comprehensive Strategic Partnership) গড়ে ওঠার এটিই প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রথম মালয়েশিয়া সফর। ভারতের সেমিকন্ডাক্টর সম্ভাবনার জন্য এই সফর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে ওয়াকিবহাল মহল। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, এই সফরে মোদি মালয়েশিয়ার বসবাসবাকীদের ভারতীয়দের সঙ্গে মত বিনিময় করবেন ও সেখাকার ব্যবসায়ীদের ও শিল্প প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। দক্ষিণ-পূর্ব এবং পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্যেও এই সফরের উদ্দেশ্য।
আরও পড়ুন- এবার পশ্চিম এশিয়ার ছ’টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্যের পথে ভারত!
বর্তমানে গোটা বিশ্বের মধ্যে ব্যাক-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের প্রায় ১৩ শতাংশ হয় মালয়েশিয়াতে। আউটসোর্সড অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং এবং উন্নত প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রে কয়েক দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে মালয়েশিয়ার ঝুলিতে।
সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন’ এর প্রথম ভাগে ৭৬ কোটি বিনিয়োগ হয়েছে। ২০২৬ সালের বাজেটেও ২০২৬ সালের বাজেটে ISM 2.0-এর অধীনে আরও ৪০ হাজার কোটি বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেইসঙ্গে ১.৬ লক্ষ কোটি টাকার ১০টি নতুন প্রকল্পের অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ফ্যাব্রিকেশন প্ল্যান্ট এবং আটটি প্যাকেজিং ইউনিট রয়েছে।







