মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) লালগোলা (Lalgola) থানার পুলিশ মাদক পাচার মামলায় হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) মেয়ের শ্বশুর শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করল। অভিযোগ, মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণ মিলেছে। সেই ভিত্তিতে তাঁর প্রায় ১০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে শরিফুল ইসলামের বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে তাঁর এক আত্মীয় জিয়াউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের কাছ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম মাদক উদ্ধার হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ দাবি করে, বেআইনি মাদক পাচারের সঙ্গে শরিফুল ইসলামের যোগ রয়েছে এবং সেই সূত্রে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কবে থেকে শুরু উচ্চ মাধ্যমিক? কী কী নিয়ম? জেনে নিন এই ভিডিয়োয়
গত ১ জানুয়ারি সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানায় পুলিশ। অনুমতি মেলার পর সোমবার থেকে লালগোলার নলডহরি-সহ একাধিক এলাকায় শরিফুল ইসলামের নামে থাকা জমি, বাড়ি ও বাণিজ্যিক সম্পত্তি চিহ্নিত করে ‘ফ্রিজ’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মোট ১৭টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে সাসপেন্ডেড বিধায়ক তথা জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর এই পদক্ষেপকে “প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি” বলে অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পরই পরিকল্পিতভাবে পরিবারকে হেনস্তা করতে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।







