ওয়েবডেস্ক- দিল্লিতে (Delhi) ভোটের আগে বিজেপি সরকারের (Bjp Government) কাছে প্রধান ইস্যু ছিল কেজরিওয়ালের (Arvind kejriwal) পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি। ফলে ভোটে একদম গোহারান হারেন কেজরিওয়াল। গদিতে বসেও রেখা গুপ্তের সরকার আবগারি দুর্নীতি থেকে শিশমহল একাধিক ইস্যুতে কেজরিওয়ালকে কোণঠাসা করেছেন। কিন্তু এবার নিম্ন আদালতে স্বস্তি পেয়েছেন কেজরিওয়াল।
রায়ের পরেই কেঁদে ফেলেন পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আবগারি মামলায় বেকসুর খালাস পাওয়ার পরেই কেজরিওয়াল বলেছিলেন, আমি কোনওদিন দুর্নীতি করিনি। কিন্তু ‘বেকসুর খালাস’ রায়কে চ্যালেঞ্জ এবার আবগারি মামলায় দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) দ্বারস্থ হচ্ছে সিবিআই (CBI) । কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা মনে করছে, নিম্ন আদালত এই মামলার কোনও দিক হয়তো উপেক্ষা করেছে।
শুক্রবার আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মণীশ সিসোদিয়া সহ মোট ২১ জনকে বেকসুর খালাস করেছে নিম্ন আদালত। এই রায়ে প্রকাশ্যে আসার পরেই রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, এজেন্সিকে ব্যবহার করে মোদি সরকারের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র আরও একবার সামনে এনে দিয়েছে এই রায়। তবে সিবিআই মনে করছে, এই মামলায় আদালত হয়তো কিছু বিষয় উপেক্ষা করেছে, বা বিবেচনা করা হয়নি। যার জেরেই এবার দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তারা।
আরও পড়ুন- ‘প্রচণ্ড’-এ সওয়ার দ্রৌপদী মুর্মু! দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে গড়লেন এই নজির
আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তদন্ত চলাকালীণ সিবিআই কারুর বিষয়েই কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারেনি। ফলে মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রমাণও জোগাড় করা হয়নি। এর ফলে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা সাজানো হয়েছিল স্রেফ ধারণা ভিত্তিতে। রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টের বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং বলেন, এই মামলার বেশিরভাগটাই সাজানো হয়েছিল রাজসাক্ষীর বয়ানের ভিত্তিতে। সেটা করা যায় না। সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক কূলদীপ সিংয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি।







