ওয়েব ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের (Middle East War) প্রভাব এবার স্পষ্টভাবে পড়তে শুরু করেছে ভারতের অর্থনীতিতে (Economy of India)। ডলারের তুলনায় টাকার দাম পড়ছে হু হু করে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা স্পষ্ট হচ্ছে দেশজুড়ে। সব মিলিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতেই কেন্দ্রকে কড়া আক্রমণ শানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে রাহুল গান্ধী আশঙ্কা প্রকাশ করেন, পাঁচ রাজ্যের ভোটপর্ব শেষ হলেই দেশে পেট্রল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের দাম বাড়তে পারে। তাঁর অভিযোগ, এই সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের কোনও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নেই।
রাহুল তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ডলারের তুলনায় টাকার দাম দ্রুত পড়ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এক ধাক্কায় ৮৬ পয়সা কমে ডলার পিছু টাকার মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৩.৭৫ টাকা, যা সর্বকালের সর্বনিম্নের কাছাকাছি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁর মতে, দেশের মুদ্রার এই পতন ভবিষ্যতে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে।
আরও পড়ুন: কত সম্পত্তির মালিক? হলফনামায় জানালেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা
এই প্রেক্ষাপটে চারটি বড় আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছেন রাহুল গান্ধী। প্রথমত, উৎপাদন ও পরিবহণ খরচ বেড়ে যাবে। দ্বিতীয়ত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তৃতীয়ত, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে। আর চতুর্থত, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা টাকা তুলে নিলে শেয়ার বাজারে চাপ তৈরি হতে পারে। রাজনৈতিক দিক থেকেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। রাহুলের দাবি, ভোটের আগে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা হলেও ভোট মিটলেই দাম বাড়ানো হতে পারে।
रुपये का डॉलर के मुकाबले कमजोर होकर 100 की तरफ बढ़ना और इंडस्ट्रियल फ्यूल की कीमतों में तेज़ बढ़ोतरी – ये सिर्फ आंकड़े नहीं, आने वाली महंगाई के साफ संकेत हैं।
सरकार चाहे इसे “नॉर्मल” बताए, लेकिन हकीकत ये है:
• उत्पादन और ट्रांसपोर्ट महंगे होंगे
• MSMEs को सबसे ज्यादा चोट…— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) March 21, 2026
দেখুন আরও খবর:







