ওয়েব ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির (Middle East War) জেরে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে তৈরি হয়েছে এক অদৃশ্য অস্থিরতা। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতের উপরেও। বিশেষ করে এলপিজি (LPG) সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহে অনিশ্চয়তার কারণে কেন্দ্র সরকার ‘আংশিক জ্বালানি লকডাউন’-এর (Partial Energy Lockdown) মতো কঠোর পদক্ষেপ বিবেচনা করছে বলে সূত্রের খবর।
এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক দেশ ইতিমধ্যেই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কা-তে আংশিক বা পূর্ণ এনার্জি লকডাউন কার্যকর হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বিশ্ব পরিস্থিতি এবং পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের অস্থিরতা মাথায় রেখে ভারতেও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ধাপে ধাপে একাধিক নিয়ন্ত্রণমূলক সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হতে পারে।
আরও পড়ুন: ফ্রি গ্যাসের টোপে PNG-তে ঝোঁক! ৫০০ টাকা পর্যন্ত গ্যাস বিনামূল্যে, লাগবে না ডিপোজিটও
‘এনার্জি লকডাউন’ হলে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে?
- ওয়ার্ক ফ্রম হোম: সরকারি ও বেসরকারি অফিসে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার (Work From Home) নির্দেশ দেওয়া হতে পারে, যাতে জ্বালানির ব্যবহার কম হয়।
- নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যুৎ বন্ধ: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে দিনে কিছু সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হতে পারে।
- ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার সীমিত: জ্বালানি খরচ কমাতে ব্যক্তিগত যানবাহনের উপর নিয়ন্ত্রণ আনা হতে পারে।
- অর্থ ব্যবহারে বিধিনিষেধ: নগদ লেনদেন এবং খরচের উপর কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপের চিন্তাভাবনা চলছে।
- ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলার সীমা: ভারতীয় রুপির মূল্য হ্রাসের প্রেক্ষিতে ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলার উপর ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করা হতে পারে।
- দোকান ও রেস্তোরাঁর সময়সীমা কমানো: ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির খোলা রাখার সময় সীমিত করা হতে পারে।
- জরুরি ক্ষেত্রে ছাড়: জরুরি পরিষেবা এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রয়োজনে কিছু ছাড় রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে। সাধারণ মানুষকে বাড়িতে সীমিত পরিমাণ নগদ রাখার অনুমতিও দেওয়া হতে পারে।
দেখুন আরও খবর:







