ওয়েব ডেস্ক : একদিকে প্রাথমিকে ৩২ হাজার বাতিল মামলা গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। অন্যদিকে টেন্টেড-আনটেন্টেড ও আদালত অবমাননার সব আবেদন খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। বিচারপতি সঞ্জয় ক্যারল এবং বিচারপতি কে ভিনোদ চন্দ্রনের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এসএসসি (SSC) সংক্রান্ত সমস্ত মামলার ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই ফের নতুন করে আবেদন করার যৌক্তিকতা নেই বলেও মন্তব্য করে শীর্ষ আদালত।
টেন্টেড চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষ থেকে আদালতে আবেদনে জানানো হয়েছিল, যেভাবে প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, একইভাবে টেন্টেড প্রার্থীদেরও সেই সুযোগ দেওয়া হোক। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আদালত জানায়, প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করেই ওই অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশকে অন্য ক্ষেত্রে প্রযোজ্য করা যাবে না।
এদিকে ৩২ হাজার মামলা গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ এখনই বাতিল হচ্ছে না কোনও শিক্ষকের চাকরি। তবে যাঁরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষা দিচ্ছেন, তাঁরা আদৌ টেট পাশ কিনা, তা জানা প্রয়োজন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে অগাস্টের তৃতীয় সপ্তাহে।
আরও খবর : উত্তরপ্রদেশে মর্মান্তিক ঘটনা, মৃত্যু হল ১০ জনের
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল। পরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়েছিল ৩২ হাজার কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের পক্ষে। আদালত জানিয়েছিল, ৩২ হাজার শিক্ষকের সকলেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তা তদন্তে প্রমাণ করা যায়নি। কয়েকজন ‘অযোগ্য’ শিক্ষকের জন্য সমস্ত প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি কেড়ে নেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। তার পরেই সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বঞ্চিতেরা।
প্রাথমিকের চাকরি বাতিল মামলা প্রসঙ্গে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের পর্যবেক্ষণ, ‘‘আমাদের শিশুরা যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের থেকে শিক্ষা পাচ্ছেন কিনা সেটা জানতে চাই আমরা৷ আপাপত এই পর্যায়ে তিনি কোনওরকম অন্তবর্তী নির্দেশ বা অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিচ্ছেন না। ফলে যারা এই মুহূর্তে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর, যেই অবস্থায় বহাল আছে। যাঁরা চাকরি করছিলেন তাঁরা চাকরি করবেন৷ আমরা জানতে চাই চাকরি পাওয়া কতজন শিক্ষক টেট পাশ৷’’এই মামলার শুনানি অগাস্টের তৃতীয় সপ্তাহে হবে। এবং সেই সময় বাকি যে সওয়াল জবাব রয়েছে, সেটা এগিয়ে নিয়ে যাবে।
দেখুন অন্য খবর :







