নয়াদিল্লি: প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি(32 Thousand Primary Teachers Job Cancellation) বহাল রাখার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ এই মামলায় নোটিস জারি করল।অগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে মামলার শুনানির সম্ভাবনা। ২০১৪ সালে শুরু হওয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিযুক্ত ৩২ হাজার জনের চাকরি বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন মূল মামলাকারী তথা বঞ্চিতেরা। সেই মামলাই গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট।
২০২৩ সালের ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল। পরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়েছিল ৩২ হাজার কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের পক্ষে। আদালত জানিয়েছিল, ৩২ হাজার শিক্ষকের সকলেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তা তদন্তে প্রমাণ করা যায়নি। কয়েকজন ‘অযোগ্য’ শিক্ষকের জন্য সমস্ত প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি কেড়ে নেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। তার পরেই সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বঞ্চিতেরা। প্রাথমিকের চাকরি বাতিল মামলা প্রসঙ্গে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের পর্যবেক্ষণ, ‘‘আমাদের শিশুরা যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের থেকে শিক্ষা পাচ্ছেন কিনা সেটা জানতে চাই আমরা৷ আপাপত এই পর্যায়ে তিনি কোনওরকম অন্তবর্তী নির্দেশ বা অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিচ্ছেন না। ফলে যারা এই মুহূর্তে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর, যেই অবস্থায় বহাল আছে। যাঁরা চাকরি করছিলেন তাঁরা চাকরি করবেন৷ আমরা জানতে চাই চাকরি পাওয়া কতজন শিক্ষক টেট পাশ৷’’এই মামলার শুনানি অগাস্টের তৃতীয় সপ্তাহে হবে। এবং সেই সময় বাকি যে সওয়াল জবাব রয়েছে, সেটা এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: ‘কাশ্মীরে পুলিশকে পাথর ছোড়া বন্ধ, কলকাতাতেও হবে’, কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর







