ওয়েব ডেস্ক: নির্বাচনী মঞ্চে সিনেমা হয়ে উঠল রাজনীতির হাতিয়ার। কেরলে (Kerala) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) বক্তব্যে উঠে এল ‘ধুরন্ধর’ (Dhurandhar) সিনেমার নাম, যে ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। শনিবার কেরলের তিরুভাল্লায় নির্বাচনী সভা থেকে মোদি দাবি করেন, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে ‘মিথ্যার রাজনীতি’ করছে। তাঁর কথায়, “বাম এবং কংগ্রেস মিথ্যা বলায় পেশাদার হয়ে উঠেছে। ওরা বলে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ মিথ্যা, বলে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ মিথ্যা, আর এখন বলছে ‘ধুরন্ধর’ও মিথ্যা।”
এদিনের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি কংগ্রেস (Congress) এবং সিপিআইএমকে (CPIM) নিশানা করেন। মোদি বলেন, “ওরা মিথ্যার কারখানা চালাচ্ছে।” কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন অভিযোগকে তুলে ধরে বিরোধীদের নিশানা করে এদিন মোদি বলেন, “বিদেশি অনুদান আইন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কিংবা নাগরিকত্ব সংশোধন আইন- সব বিষয়েই ওরা বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।”
আরও পড়ুন: “ঘায়েল হুঁ, ইসিলিয়ে ঘাতক হুঁ,” ‘ধুরন্ধর’ স্টাইলে কটাক্ষের জবাব রাঘব চাড্ডার
উল্লেখ্য, মুক্তির পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আদিত্য ধর পরিচালত ‘ধুরন্ধর’ এবং এর সিক্যুয়েল ছবি। বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, এটি আসলে প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার। অন্যদিকে শাসক শিবিরের মতে, ছবিতে বাস্তবতার প্রতিফলন রয়েছে। এর আগে যেমন ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ এবং ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-কে ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল বিতর্ক হয়েছিল, ঠিক তেমনই ‘ধুরন্ধর’ নিয়েও একই মেরুকরণ দেখা যাচ্ছে। তবে এবার সেই বিতর্ক সরাসরি নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহার করলেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
দেখুন আরও খবর:







