ওয়েব ডেস্ক: ইসলামাবাদের বৈঠকও ফলপ্রসূ হয়নি, মধ্যপ্রাচ্যে (Middle East Conflict) শান্তি ফেরাতে আমেরিকার (USA) দেওয়া শর্ত মানতে রাজি হয়নি ইরান (Iran)। ফলে যুদ্ধের দামামা যে এখনও থামেনি, তা একপ্রকার স্পষ্ট হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। এর মধ্যে আবার হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের কূটনৈতিক চাল এবং সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রণের ইঙ্গিতে কার্যত চাপে পড়েছে ওয়াশিংটন। পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে ইরানের সাম্প্রতিক পালটা হুমকি।
পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর তেহরানের উপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর পথে হাঁটছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানকে অবৈধভাবে শুল্ক দেওয়া যেকোনও জাহাজকে আটক করবে মার্কিন সেনা। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “ইরান যদি মার্কিন জাহাজ বা স্বার্থের উপর হামলা চালায়, তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।”
আরও পড়ুন: চীনকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের! কী বললেন?
এদিকে মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড ঘোষণা করেছে, ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় অঞ্চল অবরোধ করা হবে। এই হুঁশিয়ারির পালটা জবাব দিয়েছে তেহরান। মার্কিন পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ ও ‘জলদস্যুতার শামিল’ বলে তীব্র কটাক্ষ করেছে তারা। ইরানের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষ হলেও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই থাকবে। পাশাপাশি সতর্ক করে তেহরান জানিয়েছে যে, শত্রুপক্ষের কোনও জাহাজকে ইরানের জলসীমা অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না। কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, “ইরানের বন্দর যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের কোনও বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।”
দেখুন আরও খবর:







