বৃহস্পতিবার শুরু হল বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। আজ ১৬ টি জেলার ১৫২ টি বিধানসভা আসনে হচ্ছে নির্বাচন। এদিন সকাল ৭ টা থেকে শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ। আর এই ভোটকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ভোটারদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন জেলায় ২৩ তারিখে ভোটগ্রহণ হবে। জেলাগুলি হল, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম।
বোলপুর ভাগবত নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয় কালীকাপুরে কন্যা সুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিলেন অনুব্রত মণ্ডল।
সস্ত্রীক ভোট দিলেন মানস ভুঁইয়া। এবার সবং বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংরেসের প্রার্থী তিনি।
সকাল ১১টা পর্যন্ত ২৬০টি অভিযোগ জমা পড়ল নির্বাচন কমিশনের দফতরে।

ভোট দিলেন বাম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। ভোট দিয়ে বামেদের ভোট বৃদ্ধির আশা জাগিয়ে তিনি বলেন, “মেরুকরণ যেমন চলছে, তেমন মেরুকরণ ভাঙছেও।”
প্রার্থীকে বুথে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহ বাবু। তালডাংরা বিধানসভার ২২৬ নং বুথে সকালেই বুথ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু। সেখানেই কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথে ঢুকতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। কিন্তু কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থী যে কোনও বুথে একা ঢুকতে পারে।
মেজাজ হারালেন বিজেপির চাঁচল বিধানসভার এজেন্ট লক্ষণ পান্ডে। অভিযোগ, মতিহারপুর অঞ্চলের ২১০ পোহরিয়া বুথে তাদের পোলিং এজেন্টকে কর্মরত অবস্থায় বুথ থেকে বের করে দেয় প্রিসাইডিং অফিসার। পরে সমস্যা মিটলে প্রার্থী ও এজেন্ট গেলে তাঁদের বসতে দেওয়া হয়।
মুর্শিদাবাদের নওদা আসনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ এবং গো-ব্যাক স্লোগান। নওদা থানা এলাকার শিবনগর গ্রামের ১৭৩ নম্বর বুথে হুমায়ুনের গাড়ি ঘিরে রেখে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। গো-ব্যাক স্লোগানও শোনা যায় তাঁদের মুখে। হুমায়ুনকে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও স্লোগান তুলছেন অনেকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পৌঁছছে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী।

দিনহাটা নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের আবুতারার ৭/১৬০ নম্বর বুথে একজন অন্ধ ব্যক্তি ভোট দিতে এলে তাকে না দিতে দিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনি সেই ভোট দিয়ে দেয়। অভিযোগ উদয়ন গুহর।ইমেইলে করে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানালেন উদয়ন
নওদা থানা এলাকার শিবনগর গ্রামের ১৭৩ নম্বর বুথে হুমায়ুনকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। হুমায়ুনকে ‘বিজেপির দালাল’ বলে কটাক্ষ বিক্ষোভকারীদের।

বালুরঘাট: বাড়ি থেকে পায়ে হেঁটে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নিজের ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে এলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। এদিন ৪৮ নাম্বার বুথে বালুরঘাট প্রাচ্য ভারতি বিদ্যাপীঠ ভোট দান করেন তিনি।
বড়ঞা বিধানসভার ১৮৬ নম্বর বুথে ভোট কারচুপির অভিযোগ। বড়ঞা ব্লকের গোদা পাড়া এলাকায় ভোটারদের অভিযোগ, ঘাসফুলে ভোট দিলে তা পড়ছে বিজেপিতে।
সিউড়ির তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল চটোপাধ্যায় নিজের নেতাজী বিদ্যাভবন বুথে ভোট দিলেন। অন্যদিকে, কালীগতি নারীশিক্ষা নিকেতনের ১৫৯ নম্বর বুথে কংগ্রেস প্রার্থী সঞ্জয় অধিকারী সকাল থেকে এসে ভোট দিতে পারলেন না। তার দাবি, এক ঘণ্টা হয়ে গেল মেশিন খারাপ। এই বাড়তি সময় শেষে দিতে হবে।

মোট ১৬টি জেলা এবং আসন ১৫২টি। বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ। সমগ্র উত্তরবঙ্গ এবং গোটা জঙ্গলমহলের পাশাপাশি ভোট হবে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ভোট পড়েছে ১৮.৭৬ শতাংশ। রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে। সেখানে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২০.৫১ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে বাঁকুড়া।
রানিনগরের একটি বুথে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বুথ জ্যাম করার অভিযোগ উঠল। ঘটনাস্থলে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
ডোমকলে তৃণমূল এবং সিপিএমের মধ্যে গোলমালের ঘটনায় এ বার রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাতে তৃণমূল এবং সিপিআইএমের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে অশান্তির ঘটনা ঘটে। প্রথমে বচসা পরে তা ভয়ংকর আকার নেয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোমাবাজি করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সংঘর্ষে জখম চার জনকেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দ্রুত ভর্তি করা হয়েছে।
ভোট দিলেন মালদহের মালতীপুর আসনের কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম বেনজির নুর। ভোট দিলেন কংগ্রেস সাংসদ ঈশা খান চৌধুরীও।
বড়ঞা বিধানসভার ১৮৬ নম্বর বুথেরভোটারদের অভিযোগ, ঘাসফুলে ভোট দিলে তা পড়ছে বিজেপিতে।
ভোট দিলেন মালদহের মালতীপুর আসনের কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম বেনজির নুর। ভোট দিলেন কংগ্রেস সাংসদ ঈশা খান চৌধুরীও।
বৃহস্পতিবার সকালে এমনই একদল বিদেশি পর্যবেক্ষক পৌঁছে যান দার্জিলিঙের এক বুথের সামনে পৌঁছে যান একদল বিদেশি পর্যটক।
মুর্শিদাবাদের রানীনগরের একটি বুথে বুথ জ্যাম করার অভিযোগ। ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
ডোমকলে তৃণমূল এবং সিপিএমের মধ্যে গোলমালের ঘটনায় রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন।
শিলিগুড়ির ১৭৩ নম্বর বুথে ভোট দিলেন গৌতম দেব। "নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কমিশন যে জুমলাবাজি শুরু করেছে তার বিরুদ্ধে মানুষ এবার ভোট দেবে," ভোট দিয়েই বিরাট বার্তা তৃণমূল প্রার্থীর।
নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের সাত নম্বর বুথ শম্ভুনাথ প্রাথমিক শিক্ষা সদনে ভোট দিলেন তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।

দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভার ফাইন আর্টস ক্লাবের ৪৮ নং বুথে ভোট দিলেন বর্ধমান দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ।
মুর্শিদাবাদের ডোমকলে ২১৭ নম্বর বুথের সামনে জটলা শুরু হয়েছে বলে খবর। কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ সামনে আসছে।

খড়্গপুরের সেরোসা স্টেডিয়ামের ২৬৩ নম্বর বুথে ভোট দিলেন দিলীপ ঘোষ। "আপাতত আমি বাড়িতেই থাকব। কোথাও সমস্যা হলে, তখন আমি যাব," ভোট দিয়ে বার্তা বিজেপি প্রার্থীর।
ভোটগ্রহণ শুরু হতেই ঝাড়গ্রামের জিতুশোল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের কাছে পৌঁছে যায় একটি হাতি, যেটির নাম ‘রামলাল’।
ভোট দিলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। ভোট দিলেন আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল। আসানসোল উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত এলআইসির ৪৩ নম্বর বুথে ভোট দেন অগ্নিমিত্রা।আসানসোল উত্তর বিধানসভার ভোটার বলে জানান বিজেপি প্রার্থী
শিলিগুড়ি বিধানসভার ২৬/৩১ নম্বর বুথে ইভিএম সমস্যার অভিযোগ। সেখানে মার্গারেট স্কুলের ২৬/৩১ নম্বর বুথে ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ভোটারেরা।
বৃহস্পতিবার শুরু প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। মোক পোলের পর বুথে বুথে ভোটারদের লাইন চোখে পড়ার মতো। বাড়ির সামনে বুথে দিনের প্রথম ভোটার হিসেবে ভোট দিয়ে দিন শুরু করলেন জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ বিধানসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মন। সোনা জয়ী স্বপ্না এই আসনের তৃণমূল প্রার্থী। বাড়ির সামনে পাতকাটা ঘোষপাড়া বিএফপি স্কুলের ১৮/১৯৭ নম্বর বুথে মা-কে নিয়ে সপরিবারে ভোট দিলেন স্বপ্না বর্মন। ৭২০ জন ভোটার রয়েছেন এই বুথে। সকাল সকাল ভোট দিতে বুথে উপস্থিত হয়ে ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না।
ভোট দিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে সোমপাড়া ১ গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের বুথে ভোট দেন তিনি।
নানুর পাপুড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল সকাল ভোট দিলেন কাজল শেখ। তিনি হাসন বিধানসভার প্রার্থীও।
ভোটগ্রহণপর্ব শুরু হতেই রাজ্যবাসীর উদ্দেশে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লেখেন, "পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ আজ। আমি সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। আমি বিশেষভাবে আমার তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেবার জন্য অনুরোধ করছি।"
কালচিনি বিধানসভা কেন্দ্রের কালচিনি ব্লকের মেন্দাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০৫ নম্বর বুথেও ইভিএম মেশিন কাজ না করার অভিযোগ উঠেছে।
মালদহ জেলার চাঁচল বিধানসভা কেন্দ্রের চাঁচল-১ ব্লকের মোতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১১ নম্বর বুথে ইভিএম কাজ করছে না বলে অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল
সকাল ৭টা থেকে শুরু হল ভোটগ্রহণ। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
১৬ টি জেলার ১৫২ টি বিধানসভা আসনে শুরু হল ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া
প্রথম দফার মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়।
তথ্য বলছে, ২০২১ সালের ভোটে এই ১৫২টি আসনের মধ্যে ৯২টি আসনে তৃণমূল জিতেছিল। ৫৯টি আসনে জিতেছিল বিজেপি।
১৫২টি কেন্দ্রে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১৪৭৮। তাঁদের মধ্যে মহিলা প্রার্থী ১৬৭ জন।
প্রথম দফায় মোট ৬৪ হাজার ৪৬৬টি ভিভিপ্যাট, ৫৯ হাজার ৭৭৭টি ব্যালট ইউনিট এবং ৫৯ হাজার ৯৮০টি কন্ট্রোল ইউনিট ব্যবহৃত হবে ।
মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে। তার মধ্যে প্রধান বুথের সংখ্যা ৪১ হাজার ৪১৮। সহকারী বুথ রয়েছে ২৯৫৮টি।
পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ৮৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৯৬ এবং মহিলা ভোটার রয়েছেন ১ কোটি ৭৫ লক্ষ ৭৭ হাজার ২১০ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪৬৫ জন।
২০২৬ সালে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) পর প্রথম দফার ১৫২টি আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৭১
রাতভর কমিশনের দফতরে থাকলেন বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। উপস্থিত ছিলেন বিশেষ সাধারণ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত ও পুলিশ পর্যবেক্ষক এন.কে. মিশ্র। ১৫২ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষকদের সজাগ থাকার নির্দেশ কমিশনের।
রাজ্যে শুরু প্রথম দফার (West Bengal Assembly Election 2026) নির্বাচন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। বিশেষ করে ‘শ্যাডো এরিয়া’ বা নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন এলাকা এবং স্পর্শকাতর বুথগুলোর জন্য নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।জানানো হয়েছে, এবারের প্রথম দফার নির্বাচনে প্রায় ১৫,০০০ বুথকে ‘স্পর্শকাতর’ বা ক্রিটিকাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।







