কলকাতা: ভোটের দিন ঘোষণার পরই রাজ্যে আদর্শ নির্বাচনী বিধি লাগু হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন (Election Commission) একের পর এক পুলিশ আধিকারিককে বদলি করেছে।তা নিয়ে আগেও একাধিকবার ক্ষোভপ্রকাশ করেছে তৃণমূল। অভিযোগের জল গড়িয়েছিল আদালতেও।তৃণমূলই এবার পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সিইও মনোজকুমার আগরওয়ালের দ্বারস্থ। দুই মেদিনীপুরে বিজেপির হয়ে পুলিশ কাজ করছে, এমনই অভিযোগ জানিয়েছেন শশী পাঁজা, রাজীব কুমার (TMC MP Rajeev Kumar) এবং শুভাশিস দাসেরা। বেআইনি ভাবে ৫০০ জনকে আটক এবং গ্রেফতারির অভিযোগ তুলে বুধবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-র দফতরে দেখা করতে গিয়েছিলেন রাজীব। বেআইনি গ্রেফতারি নিয়ে নিজেদের অভিযোগের কথা সিইও মনোজ অগ্রবালকেও জানান রাজীব। তাঁর দাবি, সিইও-ও স্বীকার করে নিয়েছে, পর্যবেক্ষকেরা এমন কোনও নির্দেশ দিতে পারেন না।
ভোটের আগে ৫০০-র বেশি গ্রেফতারের ঘটনায় তৃণমূল কাঠগড়ায় তুলেছে পুলিশ পর্যবেক্ষকদের।অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস রাজীব কুমার এখন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ। সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে আসার পর ‘নেতা’ রাজীব কুমারের প্রথম বিবৃতি এল প্রকাশ্যে। অভিযোগ তুললেন, ভোটের মুখে ৫০০ জনকে বেআইনি ভাবে আটক এবং গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই গ্রেফতারির সঙ্গে জড়িত আধিকারিকদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখলেন।তিনি জানান, পুলিশ পর্যবেক্ষকদের শুধুমাত্র মৌখিক নির্দেশের ভিত্তিতেই ৫০০ জনকে বেআইনি ভাবে আটক এবং গ্রেফতার করা হয়েছে। এই গ্রেফতারিগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে করছেন তিনি। রাজীবের দাবি, এই ঘটনা স্পষ্টতই ফৌজদারি কার্যবিধি এবং বর্তমানে প্রযোজ্য নির্বাচনী আইনকে লঙ্ঘন করে।
আরও পড়ুন: অশোক দিন্দার হয়ে ‘ভোট প্রচার’ গেইলের!
শশী পাঁজা বলেন, “পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তৃণমূল কর্মীদের হেনস্তা, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অরাজকতার পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ জানাচ্ছি। পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করছে না। অথচ পুলিশকে যখন বিজেপি কর্মীরা অভিযোগ জানাচ্ছে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। পক্ষপাতিত্বর অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ জমা পড়েছে, সেগুলিতে পুলিশের তরফে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা দেখা হোক।তৃণমূল প্রার্থী শুভাশিস দাসের দাবি, এখনও পর্যন্ত মেদিনীপুরের অন্তত ৫০০ তৃণমূল কর্মী পুলিশের জালে। পুলিশ পক্ষপাতিত্ব করছে।এদিন পুলিশ বদলি, বাহিনী মোতায়েন ইস্য়ুতে হুগলির হরিপালের সভা থেকে নির্বাচন কমিশনকে আরও একবার তোপ দাগেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, “সাঁজোয়া গাড়ি। ২ লক্ষ সেন্ট্রাল ফোর্স এনেছে। বাইরে থেকে পুলিশ এনেছো। এখানের সকলকে সরিয়ে দিয়েছো।







