ওয়েব ডেস্ক: শনিবার সকালে হঠাৎই সাইরেন বেজে উঠল বহু স্মার্টফোনে (Smart Phone)। স্ক্রিনে ভেসে উঠল ‘Emergency Alert: Severe’। আচমকা এই বার্তায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটি আসলে ভারত সরকারের একটি পরীক্ষামূলক মহড়া।
কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ বিভাগ (DoT) এবং ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (NDMA) যৌথভাবে ‘ডিজাস্টার ইনফরমেশন অ্যালার্ট সিস্টেম’ পরীক্ষা করছে। লক্ষ্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জাতীয় সংকটের সময়ে দ্রুত সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা।
আরও পড়ুন: প্রসবকালে শিশু মৃত্যুর হার দেশে কমেছে, পরিসংখ্যান প্রকাশ কেন্দ্রের
কেন এই নতুন সিস্টেম?
বর্তমান এসএমএস ব্যবস্থায় একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছাতে দেরি হয়। সেই জায়গায় ‘সেল ব্রডকাস্টিং সিস্টেম’ ব্যবহার করে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই নির্দিষ্ট এলাকার সব ফোনে সতর্কবার্তা পাঠানো সম্ভব।
কীভাবে কাজ করে?
এই প্রযুক্তি ‘কমন অ্যালার্টিং প্রোটোকল’ (CAP)-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি।
- ফোন সাইলেন্ট থাকলেও বাজবে জোরালো সাইরেন।
- নেটওয়ার্ক জ্যাম হলেও পৌঁছবে বার্তা।
- নির্দিষ্ট এলাকা টার্গেট করে সতর্কতা পাঠানো সম্ভব।
সি-ডট (C-DOT) এই প্রযুক্তি তৈরি করেছে।
কেন এল এই বার্তা?
সরকার জানিয়েছে, এটি একটি টেস্ট মেসেজ। বার্তায় স্পষ্ট লেখা ছিল— এটি পরীক্ষামূলক, কোনও পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই।
আতঙ্ক নয়, প্রস্তুতি
এর আগে বিভিন্ন রাজ্যে এই ধরনের ট্রায়াল চালানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাড়তে থাকা দুর্যোগের মধ্যে এই ধরনের আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা ভবিষ্যতে বহু প্রাণ বাঁচাতে পারে।







