কলকাতা: পার্ক সার্কাস-কাণ্ডে (Park Circus Seven Point Case) জিরো টলারেন্সের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশের গায়ে হাত দিলে কোনওভাবেই যে তা বরদাস্ত করা হবে না তাও বুঝিয়ে দেন। মঙ্গলবার পুলিশের জালে পার্ক সার্কাস-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত। পুলিশ সূত্রে দাবি, রবিবার পার্ক সার্কসের অশান্তিতে প্ররোচনা রয়েছে এই ফরিদুলে। স্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লোকজনকে তিনি জড়ো করেছিলেন বলে অভিযোগ। এরপরেই সিসিটিভি খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত ফরিদুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
রবিবার দুপুরে পার্ক সার্কাস এলাকায় হঠাৎ অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে।দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যে পুরো এলাকায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। অভিযোগ, বেআইনিভাবে রাস্তা অবরোধ করা হয়। তা সরাতে গেলে পুলিশের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা-ইটবৃষ্টি, গাড়ি ভাঙচুর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপর হামলা, কিছুই বাদ যায়নি।পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। সংঘর্ষে কয়েকজন পুলিশকর্মী এবং CRPF-এর দুই জওয়ান আহত হন।ঘটনার পরেই সোমবার কলকাতার ডিসি অফিসে আক্রান্ত আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সমাজ বিরোধীদের কড়া বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কাশ্মীরে পাথর ছোড়া বন্ধ হয়েছে। এখানেও বন্ধ হবে। যদি মনে করেন আগের সরকার আছে, আগের নিয়ম আছে, তাহলে খুব ভুল করছেন। আমি বলে যেতে চাই, কেউ পাথর হাতে তুলে নেবেন না।যদি মনে করেন, আগের মতো পুলিশকে হাত-পা বেঁধে রেখে দেওয়া হবে, তাহলে কিন্তু ভুল করছেন। জিরো টলারেন্স নীতি আমাদের। আমি বলে যেতে চাই, কেউ পাথর হাতে তুলে নেবেন না। এটাই শেষ ঘটনা। এর পর এমন ঘটনা ঘটলে আমার চেয়ে খারাপ পুলিশমন্ত্রী আর কেউ হবে না।”
আরও পড়ুন: কসাইখানা বিজ্ঞপ্তি ঘিরে হাই কোর্টে জোড়া মামলা! বকরি ঈদের আগে বাড়ল চাপ
এরপরেই সিসিটিভি খতিয়ে দেখে ফরিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, ধৃত ফরিদুলকে জেরা করে বাকিদের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সমাজমাধ্যমে কেন তাঁর এই পোস্ট তাও জানার চেষ্টা তদন্তকারীদের। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে আরও বেশ কয়েকজনকে। সবমিলিয়ে পার্ক সার্কাসের ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬।







