ফলতা: ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনের (Falta Assembly Election 2026 Repoll) আগে বড় রাজনৈতিক মোড়। তৃণমূল (TMC) প্রার্থী জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan) শেষ মুহূর্তে ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন। ২১ মে পুনর্নির্বাচনের ঠিক আগে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্ট জাহাঙ্গির খানকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের নির্দেশে ২৬ মে পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারির মতো কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পাঁচটি এফআইআরের উপরও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং ভোটারদের কোনও রকম হুমকি বা বাধা দেওয়া যাবে না।
আরও পড়ুন: ‘১৫ বছরে ১০ হাজার কোটির ডি সি আর কেলেঙ্কারি’, বিস্ফোরক দাবি বিজেপি বিধায়ক জগন্নাথের
তবে আদালতের সেই রক্ষাকবচ মিললেও শেষ পর্যন্ত ভোটে লড়লেন না জাহাঙ্গির। এরই মধ্যে পুনর্নির্বাচনের আবহে গ্রেফতার হন তাঁর ভায়রাভাই এবং ফলতা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতিও। ফলে রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়ছিল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
ইভিএম কারচুপির অভিযোগকে কেন্দ্র করে আগেই উত্তপ্ত হয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে গোটা বিধানসভা কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
এদিকে মঙ্গলবার ফলতায় প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ভোট-পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। পাশাপাশি ফলপ্রকাশের পর আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের তালিকা সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়ার জন্য বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডাকে নির্দেশ দেন।
এদিন বাণেশ্বর শিবমন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতেও যান মুখ্যমন্ত্রী। এক শহিদ পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজও করেন তিনি।







