পশ্চিম বর্ধমান: রাজ্যে পালাবদল ঘটতেই সরিয়ে দেওয়া হল আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ (Asansol Durgapur Development Authority) ও দুর্গাপুর নগর নিগমের (Durgapur Municipal Corporation) প্রশাসক মন্ডলীর বোর্ডকে। রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দুই দফতরের চেয়ারম্যান পদে থাকবেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পন্নামবলাম এস।
শেষবার ২০১৭ সালে দুর্গাপুর নগর নিগমের নির্বাচন হয়েছিল। ২০২২ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে চার বছর ধরে কাউন্সিলর ছাড়াই চলছে শহরের সব ওয়ার্ড। তৃণমূল আমলে প্রশাসক মন্ডলীর বোর্ড গঠন করে চালানো হচ্ছিল নগর নিগম। তার পরেও কোথাও পানীয় জলের সমস্যা, কোথাও রাস্তার বেহাল অবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল। বিধানসভা নির্বাচনের আগেও এই বিষয় নিয়ে সরব হয়েছিল বিভিন্ন মহল। রাজ্যে বিজেপি সরকার পরিবর্তনের পর এবার দুর্গাপুর নগর নিগম থেকে সরিয়ে দেওয়া হল প্রশাসক মণ্ডলীর বোর্ডকে।
আরও পড়ুন: প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে পৌঁছে যাব, বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
অন্যদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কবি দত্ত। তার পর থেকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে জেলাশাসকই ওই দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। নতুন সরকার গঠনের পরেও সেই দায়িত্বে বহাল রাখা হল তাঁকেই। সূত্রের খবর, আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ ও দুর্গাপুর নগর নিগমের কাজে সহযোগিতা করবেন দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘড়ুই। মঙ্গলবার দুপুরে দুই দপ্তরে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।
চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “এতদিন দুর্নীতিগ্রস্ত লোকজন সরকারি দফতর চালাচ্ছিল। উন্নয়নের বদলে দুর্নীতি হয়েছে। কাঁকসার তপোবন সিটি এলাকায় আবাসন তৈরিতে দুর্নীতি, আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ এলাকায় জমি কেলেঙ্কারি এবং সরকারি ভবনে নিয়োগ নিয়ে একাধিক অভিযোগ এসেছে বলে দাবি তাঁর। ইতিমধ্যেই সেইসব ফাইল খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। খুব শীঘ্রই তদন্ত কমিটি গঠন করে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
দেখুন আরও খবর:







