কলকাতা: ফলতা (Falta) বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটফল প্রকাশ (Falta election result 2026) হতেই রাজ্য রাজনীতিতে ফের তীব্র বিতর্ক। ১ লক্ষেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি (BJP) প্রার্থী। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিপিএম। আর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ৭ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছেন। এই ফলাফল ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা (Suvendu Adhikari attack TMC)।
ফলপ্রকাশের পরেই তৃণমূলের সাংগঠনিক মডেল নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ বাস্তবে ব্যর্থতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “কুখ্যাত ডায়মন্ড হারবার মডেল পরিণত হয়েছে তৃণমূলের হার-বার মডেলে।” পাশাপাশি তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে তিনি অভিষেককে রাজনৈতিক ভাবে নিশানা করেন।
আরও পড়ুন: ‘উপরওয়ালা সব দেখছে, বাংলাকে লুঠ করা হয়েছে,’ ফেসবুক লাইভে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
অন্যদিকে, ভোটের ফলপ্রকাশের পরই পাল্টা সরব হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। ফলতার অন্তত ১ হাজার তৃণমূল কর্মী গত কয়েক দিনে ঘরছাড়া হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক।
কুখ্যাত ‘ডায়মন্ড হারবার’ মডেল পরিণত হলো ‘তৃণমূলের হার-বার’ মডেলে !!!
সর্বপ্রথমে আমি ফলতা বিধানসভা আসনের পুনর্নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী শ্রী দেবাংশু পাণ্ডাকে বিপুল জনাদেশ দিয়ে বিধানসভায় পাঠানোর জন্য ফলতার জনতা-জনার্দন গণদেবতাকে নত মস্তকে প্রণাম জানাই। ফলতার…
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) May 24, 2026
রাজনৈতিক মহলের মতে, ফলতার এই ফলাফল শুধু একটি বিধানসভা কেন্দ্রের জয়-পরাজয় নয়, বরং ২০২৬ সালের পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিতও দিতে পারে। একদিকে বিজেপির ‘সোনার ফলতা’ গড়ার দাবি, অন্যদিকে তৃণমূলের ‘রিগিং’ অভিযোগ দুই শিবিরের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।
The Falta AC repoll counting today exposes glaring inconsistencies. By 3:30 pm in the afternoon today all 21 rounds were completed. On 4th May, till the same time, only 2- 4 rounds had taken place. The country deserves an explanation from the ECI.
Although more than 1000…
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) May 24, 2026
ডায়মন্ড হারবার মডেল নিয়ে আগেও বিতর্ক ছিল রাজনৈতিক মহলে। এই ফলের পর তা আরও জোরালো হল বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। পাশাপাশি দলের অন্দরেও নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর।







