ওয়েব ডেস্ক : বিতর্কিত স্বাক্ষর কাণ্ডে (Signature Case) তদন্তের গতি বাড়াল সিআইডি (CID)। রবিবার একদিকে জেরা করা হচ্ছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। তার পরে এবার ভবানীভবনে হাজিরা দিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। এদিন তিনি ৩টে বেজে ২১ মিনিটে ভবানীভবনে হাজিরা দেন তিনি।
এদিন বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ভবানীভবনে পৌঁছান অভিষেক (Abhishek Banerjee)। তার পর কেটে গিয়েছে তিন ঘণ্টার বেশি সময়। এখনও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকে জেরা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তার পর এবার হাজিরা দিলেন কুণাল। সূত্রের খবর, বিতর্কিত স্বাক্ষর কাণ্ডে অভিষেক ও কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghosh) আজ মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। বলে রাখা দরকার, এর আগে গত ১১ জুন এই মামলায় প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ম্যারাথন জেরা করেছিলেন তদন্তকারীরা, কিন্তু তাঁর জবাবে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজ রবিবার ফের তাঁকে তলব করা হয়।
আরও খবর : সোমবার কলকাতা পুরসভায় আসছেন মুখ্যমন্ত্রী, জল্পনা অন্দরমহলে
গোটা ঘটনার সূত্রপাত তৃণমূলের বিরোধী দলনেতার বাছাই নিয়ে। গত ৯ মে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) স্পিকারকে লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন, গত ৬ মে-র বৈঠকে তৃণমূলের পরিষদীয় বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, সহ বিরোধী দলনেতা হিসেবে অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও চিপ হুইপ হিসেবে ফিরহাদ হাকিমকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পরেই বিধানসভার সচিব অভিষেকের কাছে ওই বৈঠকের স্বাক্ষর সম্বলিত রেজোলিউশন বুক চান। তা গত ২০ মে জমা দেন অভিষেক। সেখানে তিনি দাবি করেছিলেন, গত ৬ মে-র ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৭০ জন বিধায়ক। আর তাঁদের স্বাক্ষর ওই রেজিলিউশন বুকে রয়েছে।
তবে তৃণমূলের দুই বিধায়ক অভিযোগ করেছিলেন, ৬-মের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা বাছাই সংক্রান্ত কোনও প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি। তাঁরা রেজিলিউশন বুকে ১৯-মের বৈঠকে সই করেছিলেন। ফলে ৬-মের স্বাক্ষরের বিষয়টি পুরো ‘জাল’ ছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন অভিযোগকারীরা। এই মামলার তদন্তে নেমে ১৩ জন তৃণমূল বিধায়কের বয়ান রেকর্ড করেছিল সিআইডি। সেই মামলার তদন্তে অভিষেক ও কুণাল ঘোষকে জেরা করছে সিআইডি-র বিশেষ তদন্তকারী দল।
দেখুন অন্য খবর :







