HomeScrollবিদেশযাত্রা আরও নিরাপদ, দেশে ধাপে ধাপে চালু ই-পাসপোর্ট
E Passport Seva

বিদেশযাত্রা আরও নিরাপদ, দেশে ধাপে ধাপে চালু ই-পাসপোর্ট

পুরনো পাসপোর্ট বদলাতে হবে? জেনে নিন বিস্তারিত...

ওয়েব ডেস্ক: বিদেশ সফরকে আরও নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে দেশে ধাপে ধাপে চালু হচ্ছে চিপ-যুক্ত ই-পাসপোর্ট (E-Passport)। কেন্দ্রের উদ্যোগে চালু হওয়া এই নতুন পাসপোর্টে যুক্ত থাকছে অত্যাধুনিক ‘রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন’ (RFID) চিপ, যেখানে আবেদনকারীর নাম, জন্মতারিখ, পাসপোর্ট নম্বর, ছবি এবং বায়োমেট্রিক তথ্য সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষিত থাকবে।

বাইরে থেকে সাধারণ পাসপোর্টের মতোই দেখতে হলেও, ই-পাসপোর্টের সামনের কভারে একটি বিশেষ সোনালি প্রতীক থাকবে। সেটিই এই নতুন প্রজন্মের পাসপোর্টকে আলাদা করে চেনাবে।

আরও পড়ুন:

আরও খবর : প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে বিপর্যয়, পাহাড় ধসে মাটি চাপা একাধিক বাড়ি, নিখোঁজ বহু

এই প্রযুক্তির অন্যতম বড় সুবিধা নিরাপত্তা। ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পাসপোর্ট স্ক্যান করার সময় চিপে থাকা তথ্য এবং পাসপোর্টে মুদ্রিত তথ্য একসঙ্গে যাচাই করা হবে। ফলে পাসপোর্টে কারচুপি, জালিয়াতি বা পরিচয় ভাঁড়ানোর চেষ্টা অনেক সহজেই ধরা পড়বে। পুরো ব্যবস্থাটি ‘Public Key Infrastructure’ (PKI) প্রযুক্তির মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকায় তথ্যের গোপনীয়তা এবং সত্যতাও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া যেসব বিমানবন্দরে স্বয়ংক্রিয় ই-গেট রয়েছে, সেখানে ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করলে পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত সম্পন্ন হবে। ফলে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে অপেক্ষার সময়ও কমতে পারে।

তবে বর্তমানে যাঁদের বৈধ সাধারণ পাসপোর্ট রয়েছে, তাঁদের এখনই ই-পাসপোর্ট নেওয়ার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। পুরনো পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত সেটি আগের মতোই বৈধ থাকবে।

নতুন পাসপোর্ট বা রিনিউয়ের আবেদন করলে, সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্ট পরিষেবা চালু থাকলে আবেদনকারীকে চিপ-যুক্ত পাসপোর্ট দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়াতেও বড় কোনও পরিবর্তন নেই। আগের মতোই পাসপোর্ট সেবা পোর্টালে আবেদন করে পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র বা পোস্ট অফিস পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে নথি যাচাই ও বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সব প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হলে আবেদনকারী হাতে পাবেন নতুন ই-পাসপোর্ট।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News