Monday, July 13, 2026
HomeBig newsতৃণমূলের সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়নি, হাইকোর্টে জানাল ইডি
Calcutta High Court

তৃণমূলের সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়নি, হাইকোর্টে জানাল ইডি

তিনটি অ্যাকাউন্টই শুধুমাত্র ফ্রিজ করা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার

ওয়েব ডেস্ক : তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়নি বলে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে ইডি দাবি করেছে, দলের সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়নি। কেন্দ্রীয় সংস্থার বক্তব্য, মোট আটটি অ্যাকাউন্টের মধ্যে মাত্র তিনটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। বাকি পাঁচটি অ্যাকাউন্ট এখনও সচল রয়েছে এবং সেগুলির মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করা সম্ভব। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত রায় সংরক্ষণ করেছে।

শুনানিতে ইডির পক্ষে সওয়াল করেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) জাতীয় কার্যকরী কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়াই রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এই মামলার নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। ফলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আদালতে জানান, পিএমএলএ আইনের ১৭(১) ধারায় তদন্তের স্বার্থে তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। এডিশনাল সলিসিটর জেনারেল ধীরজ ত্রিবেদী আদালতে জানান, তৃণমূলের হাতে এখনও প্রায় ১৬৪ কোটি টাকা থাকা এই রকম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়নি। ফলে দলের কর্মচারীদের বেতন বা দৈনন্দিন সাংগঠনিক কাজ সম্পূর্ণভাবে থমকে গিয়েছে— এমন দাবি বাস্তবসম্মত নয় বলে জানিয়েছেন এস ভি রাজু।

আরও খবর : সুরুচি সংঘে ‘বিশ্বাস’ অধ্যায়ের ইতি, পুজোর দায়িত্বে বিজেপি বিধায়ক

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী মনু সিংভি আদালতে বলেন, এই মামলায় এর আগেই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অন্য একটি বেঞ্চ অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে। ফলে তথ্য গোপনের অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই। তাঁর বক্তব্য, ১৮ জুন একটি অভিযোগের পর পুলিশ দ্রুত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার পদক্ষেপ নেয়। পরে ৭ জুলাই ইডিও একই ধরনের ব্যবস্থা নেয়। নির্বাচনের আগে এই অ্যাকাউন্ট থেকেই প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ মেটানো হয়েছিল। তখন কোনও আপত্তি তোলা হয়নি। এখন রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক সাংগঠনিক কার্যকলাপ ব্যাহত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তৃণমূলের আর এক আইনজীবী কিশোর দত্ত আদালতে প্রশ্ন তোলেন, এয়ার ক্রাফট এবং চপার কেনার জন্য প্রায় ৪৪০ কোটি খরচ করা হয়েছে সেটা নিয়েই অভিযোগ। এর ভিত্তিতে কীভাবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হল। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পুলিশের কোনও পৃথক তদন্তই হয়নি। সেই অবস্থায় ইডির (ED) তদন্ত শুরু করা এবং পিএমএলএ আইনের প্রয়োগ আইনসঙ্গত নয়। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এসময় জানতে চান, পুলিশের দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতেই কি ইডি তদন্ত করছে? উত্তরে ইডির পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ধীরজ ত্রিবেদী জানান, পুলিশের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিললে সেই সূত্র ধরেই ইডি তদন্ত শুরু করতে পারে এবং তা আইনের মধ্যেই পড়ে।

এদিন মামলায় পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন করেন তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Rittabrata Banerjee)। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালতের পর্যবেক্ষণ, তৃণমূল কংগ্রেসের কোন অংশকে বৈধ সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, সেই বিষয়টি বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের বিবেচনাধীন। তাই এই পর্যায়ে সেই বিতর্কে আদালত প্রবেশ করতে চায় না। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর রায়দান স্থগিত রেখেছে।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor situs toto istanaslot istanaslot sohibslot AMANAHTOTO slot gacor hari ini AMANAHTOTO premantoto AMANAHTOTO Pakde4D petir188 slot TOTO MACAU AMANAHTOTO kubet NKRISLOT garuda4d https://mybett188.com toto permata888 mataramtoto sumbartoto