Saturday, June 13, 2026
HomeJust Inযে সাংবাদিক, সোশ্যালিস্ট নেত্রীর মাতৃগর্ভে মহিলা দিবসের জন্ম

যে সাংবাদিক, সোশ্যালিস্ট নেত্রীর মাতৃগর্ভে মহিলা দিবসের জন্ম

 ওয়েব ডেস্ক: চাপা ক্ষোভ যেন ছাই চাপা আগুন হয়ে ছিল। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে দমিয়ে রাখা হয়েছিল মহিলাদের। তাঁরা কাজ করতে চাইতেন। ভোট দিতে চাইতেন। কিন্তু সে সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল না। বিপ্লবের সূচনা করলেন সোশ্যালিস্ট নেত্রী ক্লারা জেটকিন (Clara Zetkin)। বলা যেতে পারে  তাঁর মাতৃগর্ভেই জন্ম মহিলা দিবসের (Womens Day)।  ক্লারা একজন জার্মান নেত্রী (German Leader)। সেটা ১৯১০ সাল। কর্মরত মহিলাদের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে। সেই সময় কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ (Women Participation) খুব কম ছিল। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ মহিলা ইউনিয়ন, সোশ্যালিস্ট পার্টিগুলি, কর্মরত মহিলাদের ক্লাব একত্রিত হয়। তার মধ্যে একজন ছিলেন ক্লারা। তিনি আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসের প্রস্তাব দেন। মুহূর্তের মধ্যে মহিলাদের হৃদয়ের কথা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

১৫ হাজার মহিলা নিউইয়র্ক শহরের রাস্তায় নেমে এলেন। কম কাজের সময়, ভালো বেতন ও ভোটের অধিকারের দাবিতে পথে নামলেন। রাশিয়া সহ সারা বিশ্বে বিভিন্নভাবে তা দেখা গেল। এক শতকের পরে যে দিবস আজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে। ১৯১১ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস পালিত হয়। কাজ, ভোটের অধিকার, ভালো বেতনের দাবিতে লক্ষ লক্ষ মহিলা রাস্তায় নামলেন। এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯১৩ সালে শান্তির জন্য রাশিয়ার মহিলারা ২৩ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করলেন। ১৯১৪ সাল থেকে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস যা পালিত হচ্ছে। ১৯৭৫ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে স্বীকৃতি দিল রাষ্ট্রসঙ্ঘ।

আরও পড়ুন: সমঝোতায় রাজি পুতিন! এবার থামবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ?

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে জেটকিনের কণ্ঠস্বর বিপ্লবের জন্ম দিয়েছিল। জেটকিনের জন্ম ১৮৫৭ সালে। জেটকিন মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পঠন পাঠন করেন। সেসময় মহিলাদের তাঁর বেশি পড়ার অনুমতি ছিল না। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেননি। যা তাঁর ক্ষোভের সঞ্চার করে। তাঁর ভাই ও সহপাঠীর দ্বারা সমাজতন্ত্রে উৎসাহিত হন। তিনি জার্মান সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট পার্টিতে যোগদান করেন। এরপর নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জেটকিন নিজেকে তৈরি করেন। ১৮৯২ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত পাক্ষিক সংবাদপত্র সম্পাদনা করতেন জেটকিন। সেখানে মহিলাদের কথা তুলে ধরতেন তিনি। সোশ্যালিস্ট ক্যাম্পে মহিলাদের উপর কোনও অবহেলা হচ্ছে কি না সেদিকে তিনি কড়া নজর রাখতেন। তাঁর লড়াইয়ে ১৯১৮ সালে জার্মান মহিলারা ভোটের অধিকার পান। পরে তিনি জার্মানির সংসদে নির্বাচিত সাংসদ হন।

দেখুন অন্য খবর: 

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D AMANAHTOTO AMANAHTOTO Pakde4D slot gacor hari ini SlotPoker188 kecak4d