Wednesday, May 27, 2026
HomeScrollপোষ্য কী করেছিল মনজিৎকে? ৩২ সপ্তাহ হাসপাতালে বাঁচার লড়াই, হাত-পা একাধিক...
Manjit Sangha Story

পোষ্য কী করেছিল মনজিৎকে? ৩২ সপ্তাহ হাসপাতালে বাঁচার লড়াই, হাত-পা একাধিক অঙ্গ বাদ!

২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে কোমায়! কী হয়েছিল এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলার সঙ্গে?

ওয়েবডেস্ক- সব কিছু ঠিক ছিল, কিন্তু হঠাৎ এলোমেলো হয়ে গেল এই দম্পতির জীবনে। একটা মানুষ সম্পূর্ণ সুস্থ, চনমনে, সারা বাড়ি হেঁটে চলে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু হঠাৎ করেই যেন গোটা দুনিয়াটা পাল্টে গিয়েছিল সাংঘা দম্পতির জীবনে। শনিবার সব ঠিক ছিল। রবিবারও অফিস গিয়েছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক মনজিৎ সাংঘা। ব্রিটেন (UK Woman)  নিবাসী ৫২ বছর বয়সী মনজিৎ সাংঘা (Manjit Sangha)   সোমবার রাতেই কোমায়।

প্রায় ৩২ সপ্তাহ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়াই করার পর ঘরে ফিরেছেন, বাদ গেছে শরীরের একাধিক অঙ্গ। দুই হাত, দুই পা কনুই ও হাঁটু বাদ গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই মারাত্মক অবস্থার পিছনের রয়েছে তাদের পোষা কুকুর।

কী হয়েছিল মনোজিতের সঙ্গে?

সালটা ছিল ২০২৫। জুলাই মাসের রবিবার আর পাঁচটা দিনের সুন্দর ছিল। বিকেলে কাজ সেরে বাড়ি ফিরেছিলেন মনোজিত সাংঘা। পরের দিন সকালে অচৈতন্য হয়ে পড়েন তিনি। হাত পা একদম বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যায়। ঠোঁট নীল হয়ে যায়। শ্বাস নিতে পারছিলেন না। স্বামী কমলজিৎ সাংঘা (Kamaljit Sangha)  এই ধরনের পরিস্থিতিতে কী করবেন বুঝতে পারছিলেন না। ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে কী এমন হল? ঘাবড়ে যান কমলজিৎ।

শনিবার বাড়ির কুকুরের সঙ্গে সঙ্গে খেলা করছিলেন মনজিৎ, কিন্তু তার পর কী এমন হল যে রবিবার কাজ থেকে ফিরে সোমবার রাতে কোমায় চলে গেল। মনজিৎকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিয়ে যান স্বামী কমলজিৎ। কিন্তু অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে, যে চিকিৎসকরা মনজিতের হাঁটুর নিচ, দুই পা, ও কনুয়ের নীচ থেকে দুই হাত বাদ দিতে বাদ্য দিতে বাধ্য হন। হাসপাতালে থাকার সময় ৬ বার হার্ট অ্যাটাক হয়। শরীরে একাধিক জটিলতা দেখা যায়। বাদ দিতে হয় প্লীহাও।

চিকিৎসকদের বক্তন্য, মনজিতের শরীরে সাংঘাতিক সংক্রমণ হয়ে গিয়েছিল। আর এই সংক্রমণের জন্য দায়ী তাদের পোষ্য। মনজিতের শরীরে  একটি জায়গায় কাটা বা আঁচড় ছিল, সেই জায়গাটি চেটে দেয় তাদের পোষ্য। এর ফলে কুকুরের লালায় থাকা জীবাণু তার রক্তে ঢুকে যায়। (Capnocytophaga canimorsus)  নামের এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত কুকুরের শরীরে থাকে, মানুষের শরীরে ঢুকে এটি গুরুতর অসুখ, যেমন সেপসিস, এমনকী শরীরে ঢুকলে এটি গুরুতর অসুখ, যেমন সেপসিস, এমনকি মারাত্মক অবস্থায় পৌঁছালে মৃত্যু পর্যন্ত পারে।

সেপসিস (Sepsis) কী

সেপসিস (Sepsis)  হল শরীরের সংক্রমণের (ব‍্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক), যা মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। যেখানে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত শরীরের টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি করতে শুরু করে। এটি অঙ্গ বিকল (অর্গান ফেইলিওর) বা সেপটিক শকের মাধ্যমে দ্রুত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। লক্ষণগুলো খুব জ্বর,  প্রচণ্ড কাঁপুনি, বিভ্রান্তি, ভুল বকা,  দ্রুত হৃৎস্পন্দন এবং শ্বাসকষ্ট।

সেপসিসের হওয়ার কারণ কী?

চিকিৎসকদের মতে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ সেপসিসের সাধারণ কারণ। তবে ছত্রাক, পরজীবী এবং ভাইরাসজনিত সংক্রমণ থেকেও সেপসিস হতে পারে। যে সব সংক্রণ থেকে সেসপিস হতে পারে তা হল ফুসফুস, মুত্রনালি, কিডনি (বিশেষ করে ক্যাথেটার থাকলে) পেটের ভেতরের সংক্রমণ যেমন অ্যাপেন্ডিসাইটিস, পেরিটোনাইটিস, পিত্তথলি বা লিভারের সংক্রমণ, মস্তিষ্ক বা স্পাইনাল কর্ডের সংক্রমণ এবং ত্বকের সংক্রমণ।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor toto slot toto slot toto SlotPoker188 situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D AMANAHTOTO