কলকাতা: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে (Yuva Bharti Stadium) লিওনেল মেসির (Lionel Messi) অনুষ্ঠানে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা ঘিরে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাগুলির শুনানি আপাতত পিছিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) অনুপস্থিত থাকায় বৃহস্পতিবার শুনানি মুলতবি রাখে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ।
যুবভারতীর বিশৃঙ্খলার তদন্তে রাজ্য সরকার অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীমকুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি (SIT) গঠন করেছে। ওই কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের আবেদন করেন আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। বৃহস্পতিবার তিনটি মামলারই শুনানি হওয়ার কথা ছিল ডিভিশন বেঞ্চে।
আরও পড়ুন: হুগলির তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের
তবে রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে অন্য মামলায় ব্যস্ত থাকায় শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানান। সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত তিনটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি মুলতবি রাখে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ ডিসেম্বর মেসির সফরকে কেন্দ্র করে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে আসে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাঠে উপস্থিত থাকলেও, ভিআইপি ভিড়ের কারণে বহু দর্শক তাঁদের প্রিয় ফুটবলারকে দেখতে পাননি বলে অভিযোগ। উচ্চমূল্যের টিকিট কেটেও হতাশ হয়ে পড়েন দর্শকরা। এর জেরে ক্ষুব্ধ জনতা মাঠের ভিতরে ঢুকে পড়ে ভাঙচুর চালায়। চেয়ার ভাঙা, জলের বোতল ছোড়া এবং ব্যানার-পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার মতো একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনার সাক্ষী থাকে যুবভারতী।
এই ঘটনার দায় উদ্যোক্তা সংস্থার উপর বর্তায় বলে অভিযোগ ওঠে। মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত ওই সময় মেসির সঙ্গে হায়দরাবাদের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দমদম বিমানবন্দর থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে। পরে সিআইএসএফের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। বর্তমানে তিনি ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
দেখুন আরও খবর:







