Wednesday, July 1, 2026
HomeScrollনবান্নের তরফে মিলল সবুজ সংকেত, সাইবার ক্রাইম রুখতে ৭টি নতুন থানা...
Cyber Crime

নবান্নের তরফে মিলল সবুজ সংকেত, সাইবার ক্রাইম রুখতে ৭টি নতুন থানা চালু লালবাজারের

কীভাবে কাজ করবে নতুন পুলিশ স্টেশনগুলি?

কলকাতা: সাইবার জালিয়াতি (Cyber Fraud) রুখতে বড় পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police)। নবান্নের (Nabanna) সবুজ সংকেত মেলার পর লালবাজারে সাইবার (Lalbazaar Cyber Cell) থানাকে কেন্দ্র করে চালু হতে চলেছে সাতটি বিশেষ শাখা। সংগঠিত সাইবার অপরাধ, ভুয়ো সিম পাচার, বিদেশি কল সেন্টার চক্র, ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ পাচার এবং সমাজমাধ্যমে গুজব রোখাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

লালবাজার সূত্রে খবর, পরিকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও এতদিন প্রশাসনিক অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল শাখাগুলি। সম্প্রতি রাজ্য সরকারের অনুমোদন মেলার পর দ্রুত কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর আগে কলকাতা পুলিশ নতুন সাইবার হেল্পলাইন নম্বরও চালু করেছে।

আরও পড়ুন: ‘ভালোবাসা দীর্ঘজীবী হোক!’ প্রথমবার প্রেম দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে কী লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী?

কোন কোন শাখা থাকছে?

১) সাইবার থানা (লালবাজার)
২) অর্গানাইজড সাইবার ক্রাইম সেকশন
৩) সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড সাইবার সেফটি
৪) সাইবার ফ্রড রিকভারি শাখা
৫) সাইবার ফরেনসিক ল্যাবরেটরি
৬) সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন অ্যান্ড সাপোর্ট সেকশন
৭) সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং সেল

পুলিশ জানিয়েছে, অর্গানাইজড সাইবার ক্রাইম শাখায় আপাতত চারজন ইন্সপেক্টর থাকছেন। বাকি প্রতিটি শাখায় দু’জন করে ইন্সপেক্টর-স্তরের আধিকারিক এবং তাঁদের অধীনে সাব-ইন্সপেক্টর ও অন্যান্য কর্মী নিয়োজিত থাকবেন।

কীভাবে কাজ করবে নতুন শাখাগুলি?

অর্গানাইজড সাইবার ক্রাইম সেকশন নজর রাখবে সংগঠিত জালিয়াতি চক্রের উপর। ভুয়ো কল সেন্টার, ডিজিটাল গ্রেপ্তারি, লগ্নির নামে প্রতারণা, ভুয়ো সিম সংগ্রহ ও পাচার—এসব মামলার তদন্ত করবে তারা। সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড সাইবার সেফটি শাখা সচেতনতা প্রচার জোরদার করবে, যাতে নাগরিকরা প্রতারণার ফাঁদে না পড়েন। সাইবার ফ্রড রিকভারি শাখা ‘গোল্ডেন আওয়ার’-এর মধ্যে অভিযোগ পেলে প্রতারিত অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করবে।

সাইবার ফরেনসিক ল্যাবরেটরি মোবাইল, ল্যাপটপ ও ডিজিটাল ডিভাইসের বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধের সূত্র খুঁজে বার করবে। সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন অ্যান্ড সাপোর্ট শাখা আন্তঃরাজ্য ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে তদন্ত চালাবে। প্রয়োজন হলে ইন্টারপোলের সহায়তাও নেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং সেল নজর রাখবে গুজব ও উস্কানিমূলক পোস্টের উপর, যাতে সমাজমাধ্যমকে ব্যবহার করে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

পুলিশের এক কর্তা জানান, “সাইবার অপরাধ এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, অনেক ক্ষেত্রেই তা সংগঠিত চক্রের মাধ্যমে হচ্ছে। প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবল বাড়িয়েই এর মোকাবিলা করতে হবে।” সাইবার জালিয়াতির বাড়বাড়ন্তের প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে পুলিশ মহল।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor situs toto istanaslot istanaslot sohibslot AMANAHTOTO AMANAHTOTO Pakde4D slot gacor hari ini SlotPoker188 kecak4d AMANAHTOTO premantoto AMANAHTOTO Pakde4D petir188 slot TOTO MACAU AMANAHTOTO