ওয়েব ডেস্ক : রক্তদান শিবিরে (Blood Donation Camp) চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন নিয়ে ডাক্তারি পড়ুয়াদের সতর্ক করল কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ (National medical College)। সম্প্রতি একটি বেসরকারি রক্তভাণ্ডারের উদ্যোগে আয়োজিত শিবিরে কলেজের কয়েক জন পড়ুয়া ‘মেডিক্যাল অফিসার’ হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
কলেজের অধ্যক্ষ সুস্মিতা ভট্টাচার্য বুধবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সমস্ত পড়ুয়াকে সতর্ক করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে কোনও ডাক্তারি পড়ুয়া রক্তদান শিবিরে চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করলে তাঁর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। নিয়ম অনুযায়ী, রক্তদান শিবিরে মেডিক্যাল অফিসারের দায়িত্ব পালনের জন্য চিকিৎসক হওয়া প্রয়োজন। সেই দায়িত্ব নেওয়ার মতো প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ডিগ্রি এখনও অর্জন করেননি ডাক্তারি পড়ুয়ারা। ফলে তাঁদের কী ভাবে ওই ভূমিকায় যুক্ত করা হল, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
আরও খবর : নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের পরও খোঁজ নেই ৩৬ বাঙালির, প্রিয়জনের ফোনের অপেক্ষায় পরিবার
জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার সিআইটি রোডের একটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের উদ্যোগে আয়োজিত শিবিরে কয়েক জন পড়ুয়া যোগ দিয়েছিলেন। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ পৌঁছনোর পর তাঁদের চিহ্নিত করা হয়। পরে স্বাস্থ্য ভবনেও তাঁদের ডেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেই প্রক্রিয়ার পরেই কলেজের তরফে সমস্ত পড়ুয়ার উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
এরই মধ্যে রাজ্যে বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির কাজকর্ম নিয়েও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। রক্ত সংগ্রহ ও রক্তদান শিবির পরিচালনায় অনিয়মের অভিযোগে সম্প্রতি একাধিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর ও রক্ত সঞ্চালন পর্ষদ। এই পরিস্থিতিতে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের রক্তদান শিবিরে চিকিৎসকের ভূমিকায় দেখা দেওয়ার ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।







