কলকাতা: দ্বিতীয় দফায় হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুর (Bhabanipur) কেন্দ্র।এবার হেভিওয়েট প্রার্থীদের লড়াই ভবানীপুর কেন্দ্রে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। বুধবার সকাল থেকেই সেই কেন্দ্রে দেখা গিয়েছে উত্তেজনার ছবি। দুপুর গড়াতেই সেই উত্তেজনা আছড়ে পড়ে কালীঘাটের রাজপথে। একদিকে শুভেন্দুর কনভয় ঘিরে ‘চোর-চোর’ স্লোগান, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জ – সব মিলিয়ে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা।এরই মাঝে সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের জয়ের খতিয়ান তুলে ধরলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু জয়ের দাবি করে বলেন, “ভবানীপুরে ৮০ শতাংশ ভোট পড়লে আমি নিশ্চিত জিতব।
ভবানীপুরে জয় হিন্দ ভবনের সামনে উত্তেজনা ছড়ায় শুভেন্দুকে ঘিরে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সেখানে ছিলেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয়, শুভেন্দুকে ঘিরে কয়েকশো মানুষের ভিড় বাড়ে। চলে স্লোগান পাল্টা স্লোগান। হরিশ মুখার্জি রোড ও কালীঘাট রোডের সংযোগস্থলে আটকে যায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শুভেন্দু নিজেই মোবাইলে ভিডিও করেন এবং সরাসরি নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী মোতায়েন করার অনুরোধ জানান। অশান্তির মধ্যেও জয়ের নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি নেতা শুভেন্দু বলেন, ভবানীপুরে ৮০ শতাংশ ভোট পড়লে আমি নিশ্চিত জিতব। আর যদি ৯০ শতাংশ ভোট পড়ে, তবে আরও বড় ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে আনব।” শুভেন্দুর দাবি, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড বাদে বাকি সমস্ত ওয়ার্ডেই তিনি লিড পাবেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল অশান্তি করার চেষ্টা করলেও কেন্দ্রীয় বাহিনী তা রুখে দিয়েছে।
আরও পড়ুন: EVM-এ সেলোটেপ লাগানোর অভিযোগে ফলতা বিধানসভার পুনর্নিবাচনের দাবি বিজেপির
শুভেন্দু অধিকারী ভোটপর্ব মেটার পর দাবি করেন, এবার রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল নিশ্চিত। বিজেপি ১৮০-র বেশি আসন জিতে সরকার গড়বে। ভবানীপুর আসন থেকে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতবেন নিজে। তাঁর কথায়,’মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিশ্রাম নিন, আমরা ১৮০-র বেশি আসন জিতব।’ শুভেন্দু অধিকারীর সবথেকে বড় দাবিটি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর নিজের বুথ নিয়ে। তিনি বলেন, “মিত্র ইনস্টিটিউশন, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের বুথ, সেখানে তিনি অন্তত ২০০ ভোটে হারবেন।”তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্থানীয় পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও অন্যদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন। তাঁর কথায়, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। আমি সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছি।’ শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, ফলতায় ইভিএমে টেপ আটকে দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, সেই ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁকে ফোন করে খোঁজ নিয়েছেন। সিইও-র সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি দেখতে বলেছেন অমিত শাহ।







