Homeলিডদমদম বিমানবন্দরে পাচারের ছক বানচাল! থার্মোকলের বাক্সে মালয়েশিয়া যাচ্ছিল ৫৫০ দুর্লভ ‘সাপের...

দমদম বিমানবন্দরে পাচারের ছক বানচাল! থার্মোকলের বাক্সে মালয়েশিয়া যাচ্ছিল ৫৫০ দুর্লভ ‘সাপের মাথা’, উদ্ধার কোটি টাকার মাছ

কলকাতা: থার্মোকলের বাক্সের ভিতর সারি সারি প্যাকেট। বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই, ভিতরে কী রয়েছে। দমদম বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক কার্গো বিভাগে তল্লাশি চালাতেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর ছবি। বাক্স খুলতেই মিলল ৫৫০টি দুর্লভ মাছ। প্রাথমিক ভাবে যার বাজারমূল্য কোটি টাকার কাছাকাছি বলে জানা গিয়েছে। মালয়েশিয়ায় পাঠানোর আগেই সেই মাছগুলি বাজেয়াপ্ত করেছে ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো।

 

শনিবার কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো বিভাগে চারটি থার্মোকলের বাক্স নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। ওই বাক্সগুলিতে করে আন্তর্জাতিক কার্গো বিমানে মাছগুলি মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরোর আধিকারিকেরা সেখানে পৌঁছন। বাক্স খুলে তল্লাশি করতেই উদ্ধার হয় বিপুল সংখ্যক জীবন্ত মাছ।

 

কী এই মাছ? সূত্রের খবর, উদ্ধার হওয়া মাছগুলি ‘চান্না বার্কা’ প্রজাতির। বিদেশি অ্যাকোয়ারিয়ামে এই মাছের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। ইংরেজিতে ‘স্নেক হেড ফিশ’ নামে পরিচিত এই প্রজাতির মাছ দুর্লভ হওয়ায় বাজারমূল্যও বেশ চড়া। মাছের আকার এবং গুণমান অনুযায়ী দাম নির্ধারিত হয়। প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার আকারের একটি মাছের দাম ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। ১০ সেন্টিমিটারের মাছের দাম প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

 

জানা গিয়েছে, ‘অ্যাকোয়া এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক হিন্দোল হালদারের নামে ওই মাছগুলির বুকিং করা হয়েছিল। কার্গোর মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর আগেই অভিযান চালানো হয়। মাছগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং এই পাচারচক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরও সন্ধান চলছে বলে সূত্রের খবর।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News