ওয়েব ডেস্ক : দেশে ই-২০ পেট্রোলের (E20Petrol) ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরনো গাড়ির মালিকদের মধ্যে উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যে সমস্ত গাড়ির ইঞ্জিন কম ইথানলযুক্ত জ্বালানির জন্য তৈরি, সেগুলিতে ই-২০ ব্যবহারের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে পুরনো পেট্রোলচালিত গাড়ি এবং দু’চাকার যানবাহনের জন্য ফের ই-১০ পেট্রোল (E10Petrol) বাজারে আনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এমনটাই সূত্রের খবর।
ই-২০ পেট্রোলে (E20Petrol) ২০ শতাংশ ইথানল এবং ৮০ শতাংশ পেট্রোল থাকে। অন্যদিকে ই-১০-এ ইথানলের পরিমাণ ১০ শতাংশ। দেশের বহু পুরনো গাড়ি ও বাইক এমন সময় তৈরি হয়েছিল, যখন এই কম ইথানলযুক্ত জ্বালানিই ছিল প্রচলিত। ফলে সেই যানবাহনের ইঞ্জিনে বেশি মাত্রার ইথানলযুক্ত পেট্রোল ব্যবহার করা নিয়ে মালিকদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। কিছু পুরনো গাড়ির নির্দেশিকাতেও নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি ইথানল না ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
আরও খবর : রেলে ৪০৯৮ পদে চাকরির সুযোগ, আবেদন শুরু হয়েছে! জানুন বিস্তারিত
যদিও কেন্দ্রের দাবি, পুরনো গাড়িতে ই-২০ (E20Petrol) ব্যবহারের ফলে বড় ধরনের ইঞ্জিন ক্ষতির প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। মারুতি সুজুকির প্রায় দেড় কোটি পুরনো গাড়ির পরিষেবা সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখার কথাও জানানো হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ই-২০ ব্যবহার করলে কিছু গাড়িতে মাইলেজ কমতে পারে এবং গ্যাসকেট বা রাবারের যন্ত্রাংশ দ্রুত ক্ষয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও স্বীকার করা হয়েছে। তাই পুরনো যানবাহনের মালিকদের জন্য ই-১০-কে বিকল্প হিসেবে ফেরানোর ভাবনা সামনে এসেছে।
তবে একইসঙ্গে দুই ধরনের পেট্রোল বাজারে চালু করলে সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। পেট্রোল পাম্পে ই-১০ ও ই-২০ আলাদাভাবে সংরক্ষণ এবং সরবরাহের জন্য পৃথক পরিকাঠামো প্রয়োজন হতে পারে। তেল বিপণন সংস্থাগুলিকেও সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা করতে হবে। ফলে ই-১০ ফেরানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও, কবে থেকে এবং কীভাবে এই জ্বালানি বাজারে ফিরবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।







