ওয়েব ডেস্ক : গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য (Middle East)। তার পর থেকে বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)। যার ফলে জ্বালানি সংকটে পড়েছে গোটা বিশ্ব। ভারতের অপরিশোধিত জ্বালানির ভান্ডারেও এর প্রভাব পড়েছে। রিপোর্ট বলছে, এই সংঘর্ষের জেরে ভারতে ১৫ শতাংশ কমে গিয়েছে তেলের ভাণ্ডার (Oil storage)। কমোডিটি অ্যানালিটিক্স ফার্ম কেপলারের দানি, এমন পরিস্থিতেও রিফাইনারিগুলি স্বাভাবিক কাজ করে চলেছে। যার প্রভাব পড়ছে তেলের ভাণ্ডারে।
কেপবলারের রিফাইনিং বিভাগের প্রধান নিখিল দুবে বলেছে, যুদ্ধের আগে বিদেশ থেকে দৈনিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করত ভারত (India)। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের পরে তা কমে এসেছে ৪.৫ মিলিয়ল ব্যারেলে। এর ফলে রিজার্ভে রাখা তেল ব্যবহার করতে শুরু করেছে রিফাইনারিগুলি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর জন্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তেল সাশ্রয়ের আর্জি জানিয়েছিলেন।
আরও খবর : পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়তেই মোদিকে কটাক্ষ কংগ্রেসের
কেপলারের রিপোর্ট আরও বলছে, ভারতে (ঘল্গো) ১০৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেল (Oil) মজুত ছিল। তা কমে ৯১ মিলিয়ন ব্যারেলে চলেছে এসেছে। আর দৈনিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল হল, তাহলে ভারতের কাছে মাত্র ১৮ দিনের তেল মজুত রয়েছে। এর আগে সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, ভারতের কাছে ৬০ জিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে।
এদিকে সময় বাড়ার সঙ্গে উদ্বেগ বাড়ছে। যুদ্ধের কারণে উপসাগরীয় দেশেগুলিতে তেলের উৎপাদন কমে গিয়েছে ১৪.৪ মিলিয়ন ব্যারেল। বিশ্বব্যাপী তেল প্রবাহেও যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। রিপোর্ট বলছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বে তেল সরবরাহে ঘাটতি হয়েছে ১২.৮ মিলিয়ন ব্যারেল।
দেখুন অন্য খবর :







