ওয়েবডেস্ক- ‘হানিমুন মার্ডার’ কেস (Honey Moon Murder Case) চার্জশিট দাখিল হল। সাতশো পাতার চার্জশিট (charge sheet) দাখিল করেছে মেঘালয় পুলিশ(Meghalaya Police) । রঘুবংশী হত্যাকাণ্ডের (Raghuvanshi murder case) ঘটনা চাপানউতোর তৈরি হয়েছিল। নব বিবাহিত দম্পতি ছিলেন সোনম রঘুবংশী (Sonam Raghuvanshi) ও রাজা। মেঘালয় হানিমুন করতে হঠাৎ করে গায়েব হয়ে যান তাঁরা। পরে জানা যায় সোনমই তাঁর স্বামীকে রাজাকে খুন করেছে। পুলিশের কাছে নিজে মুখেই সেই কথা স্বীকার করে সোনম। তাকে মদত দেয় তার প্রেমিক রাজ কুশাওয়াহা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, খুনের কিনারা করতে তাদের সাহায্য করেছিল একটি কালো ট্রলি ব্যাগ
হানিমুনে গিয়ে গত ২৩ মে মেঘালয় থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় রাজা ও সোনম। প্রথমে মনে হয়েছেন সোনমকে অপহরণ করা হয়েছে। পরে ২ জুন চেরাপুঞ্জির জলপ্রপাতের ধার থেকে রাজার দেহ উদ্ধার হয়। বেশ কয়েকদিন পর উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর থেকে সোনমকে গ্রেফতার করা হয়। মেঘালয় পুলিশ জানায়, সোনম আত্মসমর্পণ করেছেন। রাজার খুনে তিনিই মূল অভিযুক্ত। এ ছাড়া, তাঁর প্রেমিক রাজ এবং কয়েক জন সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রেমিক রাজের সঙ্গে মিলে স্বামী রাজাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।
আরও পড়ুন- হাসপাতালে ইঁদুর-রাজ! ডবল-ইঞ্জিন রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এ কী হাল!
চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজার সঙ্গে হানিমুনে যাওয়ার আগেই নিজের প্রয়োজনীয় জিনিস একটি কালো ট্রলিব্যাগে ভরেছিলেন সোনম। তার পর সেই ট্রলি তিনি দেন প্রেমিক রাজকে। মেঘালয় পুলিশের দাবি, এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে, স্বামীকে মেঘালয়ে খুন করার পর রাজের সঙ্গে সংসার গড়ার পরিকল্পনা ছিল সোনমের। সেই মতোই রাজাকে খুন করতে পরিকল্পনামাফিক তিন বন্ধু রোহিত চৌহান, আনন্দ কুর্মি এবং আকাশ সিং রাজপুতকে আগেই মেঘালয়ে পাঠিয়েছিলেন রাজ। মেঘালয় পুলিশ চার্জশিটে জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ে স্বামী রাজাকে খুনের নির্দেশ দিয়েছিলেন সোনমই।
ঘাতককে বলেছিলেন, এখনই কাজ সেরে ফেলো, পরে আর সুযোগ পাওয়া যাবে না। গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে শিলংয়ের জেলেই রয়েছেন সোনম ও তাঁর প্রেমিক এবং বন্ধুরা। চলতি সপ্তাহেও তারা জামিনে আর্জি জানিয়েছিল। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে শিলংয়ের একটি আদালত।
দেখুন আরও খবর-







