ওয়েবডেস্ক- ওষুধ রাজ্যের জরুরি পরিষেবার মধ্যে পড়ে। করোনার সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে ই-ফার্মাসি (E-Pharmacies) ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। তবে, করোনা চলে যাওয়ার পরেও সেই ব্যবস্থা সচল। এখন অনলাইনে ওষুধ আনিয়ে নেওয়া সম্ভব। ফলে মানুষে সুবিধা হয়েছে। কিন্তু এর জেরে ইচ্ছেমতো কমছে ওষুধের দাম।
এবার এই প্রতিবাদে সামিল ওষুধের (Medicine Shop) দোকানদারদের সর্ববৃহৎ প্রতিবাদে সামিল ওষুধের দোকানদারদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অব কেমিস্টস অ্যান্ডড্রাগিস্টস (এআইওসিডি)। ধর্মঘটে (Strike) ডাক দেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ মে, বুধবার এই দেশজুড়ে ওষুধের দোকান ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। এর জেরে একদিনের বন্ধ থাকতে চলেছে সব ওষুধের দোকান। ফলে ভুগতে হবে গ্রাহকদের।
সংগঠনের দাবি প্রথমত, দেশের স্বার্থে ই ফার্মেসি বন্ধ করতে হবে। অনলাইন ফার্মেসি চালু থাকায় দেশের ওষুধ সুরক্ষা বিধি বিঘ্নিত হচ্ছে। ভুয়ো প্রেসক্রিপশন বাজারে ঘুরছে।
আরও পড়ুন- কেরলের বাম দুর্গে ফাটল! অসমে গেরুয়া ঝড়! গণনার প্রাথমিক ট্রেন্ডে তামিলনাড়ুতে কী সমীকরণ?
দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানিগুলি নিজেদের ইচ্ছেমতো ওষুধের দামও কমাচ্ছে। তাতে ওষুধের মান কমে যাচ্ছে বলে দাবি সংগঠনের। বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে ভুয়ো প্রেসক্রিপশন। ফলে দুর্যোগ বাড়ছে। ২০২০ সালের ২৬ মার্চ করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দোকানদাররা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ওষুধ পাঠাতে পারবেন। সেই বিশেষ পরিস্থিতিতে জারি হওয়া নির্দেশনামাকে ঢাল করে ই-ফার্মেসী ব্যবস্থা চরম বিপর্যয়ের মুখে। এগুলি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার দাবিতেই এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। ই সংগঠনের বারবার তারা এই সমস্যাগুলির সমাধান নিয়ে ওষুধ কোম্পানির সঙ্গে কথা বলছে। কিন্তু সমস্যার কোনও সুরাহা হয়নি। অনলাইনে ওষুধ পরিষেবা দেওয়ার দাপটও কমাতে পারেনি। সেই কারণে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।







