বাঁকুড়া: কোতুলপুরে বালি খাদান থেকে ১৪ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা তোলা আদায়ের অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূলের (TMC) উপপ্রধান। তাঁর নাম শেখ জাকির আলী ওরফে শেখ লিটন। অন্যদিকে ইন্দাসে গ্রেফতার তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চন্দন রক্ষিতও।
জানা গিয়েছে, কোতুলপুর থানা এলাকার একটি বৈধ বালিখাদানের মালিক কাজল ঘোষ তৃণমূলের উপপ্রধানের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ, তৃণমূল উপপ্রধান ধাপে ধাপে কাজল ঘোষের কাছ থেকে ওই তৃণমূল নেতা ১৪ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা তোলা আদায় করেছে। এই মর্মে অভিযোগ হতেই কয়েক ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (Police)।
আরও খবর : মধ্যরাতে মেমারীতে চলল বুলডোজার, ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল একের পর এক দোকান
পাশাপাশি ২০২৪ সাল থেকে ইন্দাসের দিবাকর বাটির বিজেপি নেতা সুখেন্দু রায় ঘরছাড়া ছিলেন। তবে ঘরে থাকতে হলে টাকা দিতে হবে, এমনটাই হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চন্দন রক্ষিতের বিরুদ্ধে। অবশ্য ওই বিজেপি নেতা বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফিরে এসেছিলেন। তবে তৃণমূল নেতা ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। এদিকে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছিলেন ওই বিজেপি নেতা। অভিযোগ সেই মামলা তোলার জন্য ২৫ হাজার টাকাও দাবি করেছিল ওই তৃণমূল নেতা।
এমনকি টাকা না দিলে এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এমনকি খুনের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুখেন্দু রায় গতকাল ইন্দাস থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চন্দন রক্ষিতকে গতকাল রাতে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে ইন্দাস থানার পুলিশ (Police)। আজ দুই তৃণমূল নেতাকে আদালতে তোলা হয়েছে বলে খবর।
দেখুন অন্য খবর :







