কলকাতা: ভোট গণনার আগেই সংগঠনকে আরও আঁটসাঁট করতে মাঠে নামাল তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব। গণনার দিন যাতে কোনও স্তরে গাফিলতি না থাকে, তার জন্য জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করল শাসকদল। আর সেই তালিকায় বিশেষ গুরুত্ব পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন পুলিশ মহাপরিদর্শক তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার (Rajeev Kumar)। ব্যারাকপুর (Barrackpore) ও দমদমের (Dumdum) গণনা পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁকে।
শনিবার ভার্চুয়াল বৈঠকে গণনা প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, বৈঠকে কড়া বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী। নির্দেশ দেওয়া হয়, ভোর পাঁচটার মধ্যেই গণনাকেন্দ্রে পৌঁছতে হবে। বাইরের খাবার না খাওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। অভিযোগ, ‘‘কেউ কিছু মিশিয়ে দিতে পারে।’’ পাশাপাশি, অল্প ভোটের ব্যবধানে হার দেখানো হলে পুনর্গণনার দাবি তুলতেও বলা হয়েছে গণনা প্রতিনিধিদের।
আরও পড়ুন: ভোট মিটতেই মেমারীতে রাজনৈতিক উত্তেজনা
বৈঠকে বৈদ্যুতিন ভোটযন্ত্র ও তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন মমতা। তাঁর আশঙ্কা, ‘‘আপনি চার হাজার ভোটে জিতছেন, অথচ দেখানো হতে পারে দু’হাজারে হারছেন।’’ এমনকি বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়েও সতর্ক করেন তিনি। নির্দেশ, গণনাকেন্দ্রে কয়েক সেকেন্ডের জন্যও বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে তা সঙ্গে সঙ্গে দলীয় নেতৃত্বকে জানাতে হবে।
শুধু উত্তর ২৪ পরগনাই নয়, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একাধিক প্রথম সারির নেতাকে। হুগলিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, উত্তর কলকাতায় কুনাল ঘোষ ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ কলকাতায় ফিরহাদ হাকিম এবং অরূপ বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার দায়িত্ব নিজের হাতেই রেখেছেন অভিষেক। বৈঠকে মমতার দাবি, ‘‘২০০-র বেশি আসনে জিতবে তৃণমূল।’’







