জলপাইগুড়ি: মাধ্যমিকের (Secondary Exam) আগে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে! শুরু হতে চলেছে ছাত্রজীবনের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা—মাধ্যমিক। পরীক্ষার আগে প্রাক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) একাধিক পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন মহকুমা শাসক (SDO)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও। লক্ষ্য একটাই পরীক্ষা যাতে সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।
এবছর ডুয়ার্সের জঙ্গল লাগোয়া এলাকার পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে নেওয়া হয়েছে একাধিক মানবিক পদক্ষেপ। বনদফতরের উদ্যোগে বনবস্তির পড়ুয়াদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছনোর জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে বিশেষ বাস পরিষেবার। পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য রাখা হয়েছে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি বাস। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে বনকর্মীদের চলাচলের জন্য প্রস্তুত রয়েছে আরও ১০ থেকে ১৫টি বাস।
আরও পড়ুন- বাংলার জন্য বড় ঘোষণা! ডানকুনিতে তৈরি হবে কার্গো ফ্রেড করিডর
জঙ্গলের পথ পেরিয়ে বন্যপ্রাণীর আতঙ্ক নিয়ে আর যেন কোনও পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা দিতে না হয়—সেই ভাবনাকেই বাস্তব রূপ দিয়েছে প্রশাসন। কোনও অঘটনা নয়, কোনও অনিশ্চয়তা নয়—নিরাপদ পরিবেশে পরীক্ষা দেওয়াই এখন মূল লক্ষ্য।জেলায় মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যা আনুমানিক ৩৫৮৮৮ লক্ষ, যার মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যাই বেশি। এবছর জলপাইগুড়ি জেলায় রয়েছে ২১টি মেইন ভেনু, ৭৩টি সাব-ভেনু সহ মোট ৯৪টি পরীক্ষা কেন্দ্র। এছাড়াও ৯টি জায়গায় রাখা হয়েছে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বাস পরিষেবা।
প্রতিদিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। সমস্ত কেন্দ্রে রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা ও কড়া নজরদারি। পরীক্ষার হলে কোনওরকম ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। পরীক্ষার্থীদের পানীয় জল ও প্রয়োজনীয় সুবিধার দিকেও রাখা হয়েছে বিশেষ নজর।পরীক্ষার আগে প্রশাসনের এই সক্রিয়তা স্বস্তি দিচ্ছে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।







