বীরভূম: প্রথম দফার ভোটে রক্ত ঝরল। বীরভূমে (Birbhum) বিজেপি প্রার্থীর এজেন্ট (Agent of Birbhum BJP Candidate)-কংগ্রেস কর্মীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ। সাঁইথিয়া থানা এলাকা লাভপুর বিধানসভার ভ্রমরকল অঞ্চলের ভ্রমরকল গ্রামে ৬৮ নম্বর বুথে আক্রান্ত বিজেপি ইলেকশন এজেন্ট বিশ্বজিৎ মন্ডলকে মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত বিজেপি ইলেকশন এজেন্টকে সিউড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হল। ইট, লাঠি ও রড দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ। অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের লক্ষ্যে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বুথের চারপাশে ১০০ মিটার পর্যন্ত কার্যত ‘লক্ষ্মণরেখা’ তৈরি থেকে সিসিটিভি, বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী পুলিশ মোতায়েন কেন্দ্রে কেন্দ্রে। কিছু শেষরক্ষা হল না।
শেষমেশ ভোটে পশ্চিমবঙ্গে রক্ত ঝড়লই। মাথা ফাটল বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ওঝার এজেন্টের। আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীর এজেন্ট বিশ্বজিৎ মণ্ডল। আক্রান্ত বিশ্বজিৎ মণ্ডল। তিনি বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক তথা লাভপুরের বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ওঝার নির্বাচনী এজেন্ট। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রার্থীর ছেলে দেবরূপ ওঝা-সহ তিনজন। বিজেপির আক্রান্ত নির্বাচনী এজেন্ট বলেন, “আমার ছেলেরা অভিযোগ করল বুথ দখলের। বুথ দেখে ফিরছিলাম। আমরা ছিলাম ৩ জন। বুথ থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে আমাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। বেধড়ক মারধর করা হয়। ইট মারল মাথায়। মাথাটা ফেটে গেল।মুরারই বিধানসভার গোরসা গ্রামের ৩১ নম্বর বুথে তৃণমূল আর কংগ্রেসের সংঘর্ষ।সংঘর্ষে ২ কংগ্রেস কর্মী জখম হয়েছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য মুরারই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।অন্যদিকে বীরভূমের নানুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মীদের শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ। ১০০ মিটার দূরে বসে থাকার সত্ত্বেও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের বিরুদ্ধে।
প্রসঙ্গত, লাভপুর ছাড়াও দক্ষিণ দিনাজপুরে কুমারগঞ্জেও অশান্তির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেখানে বিজেপি প্রার্থীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া মুর্শিদাবাদের নওদা এবং ডোমকলেও মৃদু অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। অবস্থান বিক্ষোভ করেন হুমায়ুন কবীর। এছাড়া অবশ্য এখনও পর্যন্ত তেমন বড় কোনও অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। ছাব্বিশের ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করাই মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচন কমিশনের।







