ওয়েব ডেস্ক : রাজ্যের একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি (Flood Situation)। এই উদ্বেগের মধ্যেই প্রশাসনের প্রস্তুতি নিয়ে পর্যালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । কন্ট্রোল রুম (Control Room) থেকে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকার সবরকম ব্যবস্থা করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
মালদার মানিকচকে ১৯টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দুর্গতদের জন্য শেল্টার হোম (Shelter Home), খাবার এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতির উপর ২৪ ঘণ্টা নজর রাখার জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। হাওড়ার আমতা, খানাকুল এবং হুগলির একাধিক এলাকাতেও জলজনিত সমস্যা রয়েছে। খানাকুল ও উদয়নরায়ণপুরে জল বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে। তবে জল ছাড়ার পরিমাণ ইতিমধ্যেই কমেছে। পাশাপাশি জল বাড়লে সাপের উপদ্রবের আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও খবর : রেল বিপর্যয়ের সুযোগে আকাশছোঁয়া বাসভাড়া! ১৭০০ টাকার টিকিট ৬ হাজারে, চরম হয়রানিতে যাত্রীরা
ফরাক্কার পরিস্থিতি নিয়েও প্রশাসনের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। দুর্গতদের যাতায়াতের জন্য ২০টি বাস চালানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের খাবার, ত্রাণ এবং সরকারি আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নদীভাঙন (River Erosion) মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ডিভিসি (DVC) প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত কোনও বাঁধ ভাঙেনি। তবে এখানেই স্বস্তির অবকাশ নেই। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ফের বড় ধরনের বিপদ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। সম্ভাব্য পরিস্থিতির মোকাবিলায় এখন থেকেই প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।







