কলকাতা: রাজ্যের সপ্তদশ বিধানসভায় আজ অন্তর্বর্তী বাজেট (West Bengal Budget 2026) পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharyaa)। বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) আগে তৃতীয়বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকারের শেষ বাজেট ঘিরে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তাতে একাধিক জনমুখী ঘোষণায় সিলমোহর পড়ল। বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lokkhi r Bhandar) , ডিএ (DA) বৃদ্ধি থেকে শুরু করে নতুন প্রকল্প—সব মিলিয়ে একগুচ্ছ ঘোষণা করা হয়েছে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে অনুদান ৫০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ ৪ শতাংশ বৃদ্ধি করার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। প্যারা টিচার, শিক্ষাবন্ধু এবং আশা কর্মীদের মাসিক ভাতা ১০০০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: পুরো বাজেট ভাষণ পড়লেন না রাজ্যপাল, বিধানসভায় এ কী অবস্থা?
যুব সম্প্রদায়ের জন্য নতুন ‘যুব সাথী’ নামে একটি প্রকল্প চালুর ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নকে লক্ষ্য করেই এই প্রকল্প আনা হচ্ছে বলে বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করা হয়। এছাড়া রাজ্যের ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাজেট পেশের আগে বেলা সাড়ে বারোটায় বিধানসভায় ভাষণ দেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। রাজ্যপালের ভাষণ ও বাজেট পেশ—দুই সময়েই উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলা উন্নয়নের পথে এগিয়েছে এবং তা নিয়ে সরকার গর্বিত। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে তিনি জানান, ১৫০০ কোটি টাকা দিয়ে কাজ শুরু হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ৩০০ কোটির কাজ সম্পন্ন। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বকেয়া অর্থ না পাওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
নির্বাচনের আগে এই অন্তর্বর্তী বাজেটকে স্পষ্টভাবেই জনমুখী বার্তা হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল। এখন নজর, ঘোষণাগুলির বাস্তব প্রভাব কতটা পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনে।







