ওয়েব ডেস্ক : সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) ভেঙে পড়েছিল একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স (Air Ambulance)। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। এই ঘটনার তদন্তে (Investigation) নেমে ফাঁপরে পড়লেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা তদন্তে নেমে কোনও ব্ল্যাক বক্স খুঁজে পাননি। মূলত, কোনও বিমান দুর্ঘটনার পর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল এই ব্ল্যাক বক্স (Black Box)। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি খুঁজে না পাওয়ায় তদন্তে সমস্যা তৈরি হয়েছে। ফলে বিকল্প পথে তদন্ত শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।
নিয়ম বলছে, কোনও বিমানের ওজন যদি ৫ হাজার ৭০০ কেজির কম হয়, সেক্ষেত্রে সেই বিমানে কোনও ধরণের ব্ল্যাক বক্স বাধ্যতামূলক নয়। সেই মতো এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেও (Air Ambulance) কোনও ব্ল্যাকবক্স ছিল না। ফলে এই দুর্ঘটনার তদন্তে এবার এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সাহায্য নিতে চলেছেন তদন্তকারীরা। এছাড়া বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানের উপরেই ভিত্তি করেই তদন্ত চালাতে চাইছেন তদন্তকারীরা।
আরও খবর : বাণিজ্যচুক্তির পরেও ভারতের উপর নতুন করে শুল্ক ট্রাম্পের!
তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, বিমানটির আবহাওয়ার রেডারে কোনও সমস্যা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ ওই একই কারণে এয়ার ইন্ডিয়া ও ইন্ডিগোর দুটি বিমান রুট বদলের অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু ওই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স (Air Ambulance) একই রুট ধরে আসছিল। ফলে এই দুর্ঘটনার পিছনে রেডারের সমস্যা ছিল কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বিচক্র্যাফট কিং এয়ার বিই৯এল মডেলে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সটি। কিন্তু ওড়ার কিছুক্ষণ পর কলকাতা এটিএসের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিমানটির। এর পরেই রাডার থেকে হারিয়ে যায় বিমানটির। সেটি ভেঙে পড়ে ঝাড়খণ্ডের ছাতরায় সিমারিয়া জঙ্গলে। যার ফলে প্রাণ হারাব বিমানে থাকা ৭ জন।
দেখুন অন্য খবর :







