এই প্রবল রঙ্গ-তামাশার মধ্যে মনে পড়ে যাচ্ছে ইশ্বর গুপ্তের কবিতা। ‘সুখের শিশির কাল, সুখে পূর্ণ ধরা, এত ভঙ্গ বঙ্গদেশ তবু রঙ্গভরা। ধনুর তনুর শেষ, মকরের যোগ, সন্ধিক্ষণে তিন দিন, মহা সুখ ভোগ। মকর সংক্রান্তি স্নানে, জন্মে মহাফল, মকর মিতিন সই, চল চল চল। সারানিশি জাগিয়াছি, দেখ সব বাসি, গঙ্গাজলে গঙ্গাজল, অঙ্গ ধুয়ে আসি. সুখের শিশির কাল, সুখে পূর্ণ ধরা, এত ভঙ্গ বঙ্গদেশ তবু রঙ্গভরা’। তো উনি এই কবিতা লিখেছিলেন পৌষ পার্বণ উপলক্ষে, আর এখন এই বাংলায় চলছে ভোট পার্বণ, একই রকমের রঙ্গ তামাশায় ভরা। মা-মাটি-মানুষ-এর জন্য উৎসর্গিকৃত প্রাণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম পাঁচ মিনিটের বক্তৃতায় ছ’বার আনেন, তিনি নাকি তাজা জোয়ান, নওসাদ সিদ্দিক্কিকে রুখতে একাই একশো, তিনিই তৃণমূল তিনিই বেতাজ বাদশা ভাঙড়ের, তো টুকিট না পেয়ে সটান অন্যমুখে রওনা দিলেন, সে দল বলত আরাবুল তৃণমূলের গুন্ডা, তার গুন্ডামিতে ভাঙড়ের মানুষ অতিষ্ট, সেই নওসাদ সিদ্দিকি আরাবুলকে বরণ করে ক্যানিং দক্ষিণের প্রার্থী করে দিলেন। খান দশেক ছবি করার পর এক মধ্যবিত্ত ঘর থেকে আসা নায়িকা, এ শহরে দুটো ক্যাফে, রেস্তঁরার মালিক, জীবনে কোনওদিন কোনও রক্তদান, বস্ত্রদান শিবিরেও যাঁকে দেখা যায়নি, সেই তিনি গতবারে পদ্মফুল হাতে নিয়েছিলেন, শ্যামপুকুরের প্রার্থী হয়েছিলেন, এবারের তামাশায় তিনি বিলকুল ভ্যানিশ! হাতে চে’র উল্কি, লাল ঝান্ডা ধরে শিলিগুড়ির সিপিএম নেতা টিকিট, হ্যাঁ, নির্বাচনের টিকিট না পেয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, যে কমিউনিস্টদের দু’টো গালাগাল না করে, আরএসএস-বিজেপি সকালে জল খায় না, তারা তাঁকে বরণ করে নিয়েছিল, এখন তিনি চে গুয়েভারার সেই উলকি মুছে প্রকৃত অর্থে বিজেপি হয়ে উঠেছেন। একজন প্রার্থী ২০১৬-তে সিপিএম-এর টিকিটে জিতে, ২০২১-এ বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন, এবারে তিনি ঘাসফুলের প্রার্থী, অঘটন না ঘটলে তিনি এবারেও জিতবেন, সর্বসমক্ষে হাসি হাসি মুখে হাতে টাকা নিয়ে ড্রয়ারে রাখা শুভেন্দু অধিকারী, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব দু’টো আসনে লড়ছেন, এবং শোভন-বৈশাখী আবার ভ্যানিশ, কেন যে মাঝে মধ্যে উদয় হন কে জানে? ক’দিন আগে মনে হচ্ছিল তিনি মেয়রের আসনের দিকে হাত বাড়াচ্ছেন, এখন তেনার ল্যাজও দেখা যাচ্ছে না! এবং বিজেপির স্টার ক্যাম্পেনার অমিত শাহ বলেছেন, ক্ষমতায় আসলে সপ্তম পে কমিশন লাগু করে দেবেন, ঠিক যেমনটা বলেছিলেন, ত্রিপুরা নির্বাচনের আগে, সরকার চলছে আট বছর, বেতন কমিশন নিয়ে কোনও কথাই নেই। নরেন্দ্র মোদি মঞ্চে উঠে উজ্জ্বলা যোজনায় গ্যাসের কথা বলছেন, যে গ্যাস কেনার টাকা নিম্নবিত্ত বা গরীব মানুষের নেই, তবু বলছেন।
এক অপরিসীম ভাঁড়ামি চলছে সর্বত্র, আমাদের পবিত্র গণতান্ত্রিক অধিকারকে ঘিরে, ইলেক্টোরাল ডেমোক্রাসি, নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে। সেই রঙ্গে চোনা, হ্যাঁ চোনা ঢেলে দিয়েছেন সুইডেনের এক সংস্থা। তারা জানিয়েছেন, ভারতবর্ষ এখন আর ‘ইলেকটোরাল ডেমোক্রাসি’র আওতায় পাড়ে না, অর্থাৎ নির্বাচিত প্রতিনিধিরা গণতান্ত্রিকভাবে দেশ চালাচ্ছেন না, যা চলছে তাকে তাঁরা বলেছেন ‘ইলেকটোরাল অটোক্রাসি’, অর্থাৎ ‘নির্বাচিতদের স্বৈরাচার’। সুইডেনের ভি ডেম সংস্থা বহু বছর ধরে, বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক অবস্থা, মানুষের দাবি, আন্দোলন, সরকারি পদক্ষেপ ইত্যাদি বিচার করে, সারা পৃথিবীর দেশকে কয়েকটা ভাগে ভাগ করেছেন- (১) লিবারাল ডেমোক্রাসি, উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। (২) ইলেক্টোরাল ডেমোক্রাসি, নির্বাচনের গণতন্ত্র, (৩) নির্বাচিতদের স্বৈরাচার, (৪) স্বৈরাচারবা অগণতান্ত্রিক দেশ- এই চার ধরণের দেশকে চিহ্নিত করেছেন তাঁরা। পৃথিবী জুড়ে তাদের সংগঠন, প্রতিটা খবরকে বিশ্লেষণ করে, প্রতিটা ঘটনাকে বিশ্লেষণ করে, তারা দেশগুলোকে চিহ্নিত করেন। ২০২৬-এর রিপোর্টে বলা হচ্ছে, আগে আমাদের দেশে নির্বাচনের গণতন্ত্র থাকলেও, এখন তা নির্বাচিতদের স্বৈরতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ একথা ঠিক যে দেশে নির্বাচন আছে, কিন্তু নির্বাচিত গরিষ্ঠাংশের স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, অর্থাৎ দেশের সরকার নির্বাচিত সংখ্যালঘুর কথা শুনছেন না, সংবিধান বহির্ভুত কাজ করছেন, তাঁদের ইচ্ছে খুশি মতো কাজ করায় মানুষের ক্ষতি হচ্ছে এবং এই নির্বাচিত সরকার মানবাধিকার উলঙ্ঘন করছেন। হ্যাঁ, নরেন্দ্র মোদি সরকার সম্পর্কে এটাই আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা, তাই ভি ডেম রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতবর্ষে এখন নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্র চলছে, যা কিনা পড়শি দেশ নেপাল বা বাংলাদেশের থেকেও খারাপ, আর ২০২১ থেকেই ভারতবর্ষের গায়ে, ইলেকটোরাল অটোক্রাসির তকমা পড়ছে। আমরা এখন ১৭৯টা দেশের মধ্যে ১০৫ নম্বরে আছি, আগের থেকে ৫ পয়েন্ট নীচে। কারণ হিসেবে দেখাতে গিয়ে তারা প্রথমেই বলেছে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাহীনতার কথা, সংবাদমাধ্যম হয় সরকারের হয়ে কথা বলছে, না হলে ভয়ে চুপ করে রয়েছে, এটা তাদের মতামত। নাগরিক সমাজের আন্দোলনকে দমন করা হল দ্বিতীয় উদ্বেগজনক ব্যাপার বলে তারা জানিয়েছে। তাদের তথ্য বলছে, এক বিরাট সংখ্যক নাগরিক সমাজের মানুষজনকে, কেবলমাত্র সরকার বিরোধী বলে জেলে পুরে রাখা হয়েছে। এমনকি ভারতবর্ষের শিক্ষা, সংস্কৃতিও সরকারের আক্রমণের মুখে বলে তাদের ধারণা। নাগরিকত্ব বিল, যে ধরণের সামাজিক ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে তৈরি, তাও অগণতান্ত্রিক বলে তারা মনে করে। কিছুদিন আগে ফ্রিডম হাউস, আমেরিকার এক সংস্থা, তাদের রিপোর্টে জানিয়েছিল, ভারতবর্ষ এখন আংশিক স্বাধীন, পূর্ণ স্বাধীন দেশের তালিকা থেকে নেমে গিয়েছে।
আরও পড়ুন: Fourth Pillar | ৫ দিনে যুদ্ধ শেষ করার কথা ছিল, আজ পৃথিবী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি
এগুলো কি আকস্মিক ? হঠাৎ করে বিভিন্ন দেশের স্বাধীন সংস্থাগুলো ভারতবর্ষের গণতন্ত্র স্বাধীনতা নিয়ে, কেন? এর মূলে রয়েছে সেই আরএসএস, যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ আসলে গণতান্ত্রিক ধ্যান ধারণার পরিপন্থী, তারাই বকলমে সরকার চালাচ্ছে, তাদের দর্শন, তাদের রাষ্ট্র চিন্তা নেমে আসছে ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপর, ফলে তৈরি হচ্ছে এক সংঘাত। সেই সংঘাত থেকেই জন্ম হচ্ছে এক স্বৈরাচারের, যে স্বৈরাচারীরা নির্বাচিতও বটে। এমনটা জার্মানি বা ইতালিতে আমরা দেখেছি, ১৯৩৬ সালে নির্বাচিত সরকারের মাথায় বসেন হিটলার, তারপর থেকে ক্রমশ ক্ষমতা কুক্ষিগত হয়, স্বৈরাচার পরিপুষ্ট হয়। আমাদের দেশের সংবিধান যখন তৈরি হচ্ছে, তখন এই হিন্দু রাষ্ট্রবাদীরা তাতে অংশগ্রহণ করেনি, কিন্তু তাদের বিভিন্ন বইতে তাদের মতামত প্রকাশিত হয়েছিল। সাভারকর, গোলওয়ালকর বা দীন দয়াল উপাধ্যায়ের লেখা বইগুলোতে, ছত্রে ছত্রে সেই ধারণার কথা লেখা আছে। সংবিধান সভায় বহুবার আলোচনা হয়েছিল, আমাদের দেশের সংবিধানে কি সেকুলার? ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দটা থাকা উচিত? প্রত্যেকবারই বলা হয়েছিল, সদস্যরা বলেছিলেন, আমাদের সংবিধানের প্রতিটা ছত্র ধর্মনিরপেক্ষ। আম্বেদকর বলেছিলেন, ‘আমাদের সংবিধানের ডাইরেক্টিভ প্রিন্সিপল, নির্দেশক নীতিগুলো দেখলেই বোঝা যায়, এর ভিত্তি হল সমাজতন্ত্র, সেই শব্দ আলাদা করে ব্যবহার করার কোনও প্রয়োজন নেই’। ইন্দিরা গান্ধী, জরুরি অবস্থার মধ্যেই ৪২তম সংবিধান সংশোধন আইন পাস করান, সংবিধানের ঘোষণাপত্রে ‘সেকুলার’, ‘সোশ্যালিস্ট’ কথা দুটো যোগ হয়, ৪২তম সংবিধান সংশোধনের, ৪ এবং ৫১ ধারায় পার্লিয়ামেন্টকে সংবিধান সংশোধনের পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়, এমনকি বিচারবিভাগ ও সেই ক্ষমতা কেড়ে নিতে পারবে না, এমন সংশোধনও করা হয়। এছাড়াও আমাদের সম্পত্তির অধিকার, যা কিনা মৌলিক অধিকার ছিল, এই সংশোধনের সাহায্যে তা কেবল আইনি অধিকার হিসেবে রয়ে গেল, এরকম আরও অনেকগুলো পরিবর্তন হল, মোদ্দা কথা সেই থেকে আমাদের দেশের সংবিধানের ঘোষণার মধ্যে সেকুলার, সমাজতন্ত্র কথাগুলো থেকে গেল।
এদিকে আরএসএস, জনসংঘ বা বিজেপির প্রথম থেকেই, এই ধর্মনিরপেক্ষতা বা সমাজতন্ত্র নিয়ে আপত্তি ছিল। আরএসএস মনে করে ভারতের ধর্ম নিরপেক্ষতা, পাশ্চাত্যের সঙ্গে খাপ খায় না, হিন্দু কোনও ধর্ম নয়, হিন্দু এক জীবনযাত্রা, এ দেশের প্রত্যেক মানুষই হিন্দু, এদেশের প্রত্যেক নাগরিক হিন্দু, শর্ত হল, এদেশ কেবল তাদের জন্মভূমি হলেই হবে না পূণ্যভূমি, তীর্থভূমি হতেই হবে। তার মানে মুসলমান আর খ্রিস্টানরা বাদ পড়বে, তাঁদের মক্কা-মদিনা-কাবা বা বেথলেহেম-ভ্যাটিক্যান সিটি নয় রামমন্দিরকে প্রাধান্য দিতে হবে, এদেশেই তাঁদের পূণ্যভূমি আছে, সেটা মেনে নিতে হবে। এদিকে ‘সেকুলারিজম’ ঢুকে গিয়েছে সংবিধানে। মজা হল, ইন্দিরা গান্ধী হেরে যাবার পর ৪২তম সংবিধান সংশোধনকে বদলানোর কথা বললেন বিরোধীরা, তাঁরা ৪৩ আর ৪৪তম সংবিধান সংশোধনী আইন পাস করালেন। তাতে কিন্তু সংবিধানের ঘোষণাপত্র থেকে ‘সেকুলার’, ‘সোশ্যালিস্ট’ কথাগুলো তোলা হল না, কেন? তখন লালকৃষ্ণ আদবানী তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী, বাজপেয়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রী। তাঁরা চুপ করে থাকলেন। কেন? বাকি অনেক কিছু বদলানো হল, কেন তাঁরা তখন এই সংশোধনের কথা বললেন না? আসলে তখনও তাদের তেমন ক্ষমতা আসেনি। তাঁরা ৩৭০ ধারার কথা বললেন না, তিন তালাকের কথা বললেন না, বললেন না যে তাঁরা ডাবল ইঞ্জিনের সরকার চান, দেশের ফেডারেল স্ট্রাকচার তাঁদের পছন্দ নয়, এক প্রবল শক্তিশালী কেন্দ্র সরকারই দেশটা চালাবে, এটাই তাঁদের ইচ্ছে, তাঁরা বললেন না। বললেন না, সারা দেশে একই সঙ্গে নির্বাচন চাই। এর পরেও কি বললেন? অটল বিহারী সরকার তৈরি হল, বললেন? না বলেননি। বলেছেন ‘ইন্ডিয়া শাইনিং’-এর কথা, উন্নয়নের কথা। কারণ তখনও তাঁদের হাতে তেমন ক্ষমতা নেই, এবার ২০১৪-র নির্বাচনী প্রচার, নরেন্দ্র মোদি কী বলছেন? কংগ্রেসের দুর্নীতির কথা বলছেন, টাকার অবমূল্যায়নের কথা বলছেন, কালো টাকা বিদেশে চলে যাচ্ছে তার কথা বলছেন, দেশের আইন শৃঙ্খলার কথা বলছেন। ক্ষমতায় এলেন, বললেন ৩৭০-এর কথা? বললেন সব বেচে দিয়ে কর্পোরেটাইজেশনের কথা? বললেন নাগরিকত্ব বিলের কথা? না বলেননি, তার মানে কি এরকম যে, তাঁরা ভুলে গিয়েছিলেন? না, একদিনের জন্যও ভোলেননি, যে মূহুর্তে তাঁরা নিজেরাই ৩০৩ জন সাংসদ নিয়ে ক্ষমতায় এলেন, তার পর থেকে শুরু হল খেলা, আজ তাঁদের সংখ্যা কমেছে, কিন্তু শরিকদের সংখ্যা নিয়েই প্রত্যেকটা বিষয় তাঁরা সামনে আনছেন, দেশের সংবিধানে লেখা ‘সেকুলার’ কথাটা নিয়ে ব্যঙ্গ করছেন, সমাজতন্ত্রকে এক মরে যাওয়া পাশ্চাত্য ধারণা বলে ব্যঙ্গ করছেন। ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়া হল, তিন তালাক বিল চলে এল, কর্পোরেটের হাতে সব বেচে দেওয়ার খেলা শুরু হল, দেশের ফেডারেল স্ট্রাকচারের জন্যই দেশের উন্নয়ন থমকে আছে, এমন প্রচার শুরু হল, দেশে নাগরিকত্ব বিল আনা হল।
এখান তাদের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাংলা, এই নির্বাচন শুধু বাংলার নয়, দেশেরও। এখানে বিজেপি জিতলে তারা তাদের রথের চাকায় গুঁড়ো করবে গণতন্ত্র স্বাধীনতা, হারলে তাদের পতন নিশ্চিত। তাদের জন্যই আমাদের দেশ আজ, আংশিক পরাধীন বা নির্বাচিত স্বৈরতন্ত্র বলে চিহ্নিত হচ্ছে। বাংলায় জিতলে তাদের বিজয়রথ, অশ্বমেধের ঘোড়া জিতে নেবে। আমাদের সামনে সেটাই প্রশ্ন, প্রশ্ন আমরা স্বাধীনতা চাই না পরাধীনতা? আমরা গণতন্ত্র চাই নাকি স্বৈরতন্ত্রেই আমাদের উল্লাস? বধ্যভূমী প্রস্তুত, বেছে নিতে হবে আপনি কী চান? স্বাধীনতা না পরাধীনতা।
দেখুন আরও খবর:








