ওয়েবডেস্ক- ২০২৬ –এর নির্বাচনে (2026 Assembly Election) বাংলার মসনদে বসতে বসতে জান প্রাণ লড়িয়ে দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রীরা। বঙ্গে প্রচারে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী (Pm Narendra Modi) । তবে এই প্রথমবার নয়, মোটামুটি ২০২৫ এর শেষের দিক থেকেই পালা করে মোদি ও অমিত শাহ তাদের ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু করেছেন। প্রচারে এবার অভিনবত্ব আনতে বিজেপি নেতারা নানান কৌশল প্রয়োগ করছেন বিজেপি নেতারা। কেউ সেলুনে ঢুকে চুল কেটে দিচ্ছেন বা কেউ গেরস্থ বাড়িতে ঢুকে রুটি বেলে দিচ্ছেন। বাদ গেলেন না প্রধানমন্ত্রীও। ঝাড়গ্রামে এসে ঝালমুড়ি (Jhargram) খেলেন তিনি।

রাস্তার ধারে ছোট্ট গুমটি দোকান। দোকানের সামনে ঝুলছে চাল ভাজা, চিড়ে ভাজা, মুড়ি, বাদাম-সহ নানা ভাজাভুজির প্যাকেট। রবিবার সেই দোকানের কাস্টমার হলেন স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রী। দোকানে দাঁড়িয়ে আরাম করে ঝালমুড়ি খেলেন তিনি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেলা সফরে গিয়ে প্রায়ই এই ধরনের জনসংযোগে দেখা যায়। কখনও উত্তরবঙ্গে পাহাড়ি মোমোর দোকান হোক কিংবা দক্ষিণবঙ্গের চা কিংবা চপের দোকান। এবার সেই ভাবে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে।
রবিবার ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আরও পড়ুন- মোদির মঞ্চে জায়গা হল না বিজেপি প্রার্থীর! ভোটের মুখে অন্তর্দ্বন্দ্বে অস্বস্তি বাড়ল পদ্ম শিবিরে?
সভা শেষে গাড়িতে হেলিপ্যাডের দিকে যাওয়ার সময়ে ঝাড়গ্রাম শহরের কলেজ মোড়ে দাঁড়ায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। গাড়ি থেকে নেমে সোজা ঢুকে আসেন বিক্রমকুমার সাউয়ের ঝালমুড়ির দোকানে। চোখের সামনে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেখে বিক্রমের ভ্যাবাচ্যাখা খাওয়ার জোগাড়। ছুটে এসেছেন আশেপাশের লোকজন। উৎসুক মানুষও ভিড় করেছেন, রয়েছে কচি কাচারাও। দোকানে ঢুকতে ঢুকতেই বলেন, ‘ভাই হামে আপনা ঝালমুড়ি খিলাও। কিতনে কা হোতা হ্যয় ঝালমুড়ি?’ কোটের পকেট থেকে ১০ টাকা বের করে দেন প্রধানমন্ত্রী। সে টাকা নিতে চাননি বিক্রম। প্রধানমন্ত্রীও নাছোড়।
বিক্রম জানতে চান, পেঁয়াজ দেবেন কি না মুড়িতে। যা শুনে মোদির সরস জবাব, ‘হ্যাঁ পেঁয়াজ খাই। ডিমাগ নেহি খাতে হ্যয় বস।’
বিক্রম জানিয়েছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এসে আমার নাম জানতে চান। বলেন একটা মশলামুড়ি বানাও। খেলেনও। ঝালমুড়ি খুব ভালো লেগেছে তাঁর। বাচ্চাদেরও খাওয়ালেন। আমার বাবা, মায়ের নাম জিজ্ঞাসা করলেন। এই ঝালমুড়ি বিক্রি করে মাসে কেমন কত রোজগার করি, তাও জিজ্ঞাসা করেন।







