Sunday, June 14, 2026
HomeScrollইতিহাস বদলে দেবে ফুটবল বিশ্বকাপের ‘চার্জিং’ বল! সেন্সর, চিপ সহ আর কী...
FIFA World Cup 2026

ইতিহাস বদলে দেবে ফুটবল বিশ্বকাপের ‘চার্জিং’ বল! সেন্সর, চিপ সহ আর কী কী সুবিধা মিলবে ‘ট্রিওন্ডা’য়?

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যে বল ব্যবহার হতে চলেছে, তার ফিচার জানলে চমকে উঠবেন আপনিও

ওয়েব ডেস্ক: প্রতি ফুটবল বিশ্বকাপেই নতুন আকর্ষণ হয়ে ওঠে অফিসিয়াল ম্যাচ বল। প্রযুক্তি, নকশা এবং বৈশিষ্ট্যে প্রতি বারই চমক দেয় নির্মাতারা। তবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) যে বল ব্যবহার হতে চলেছে, তা অতীতের সব ধারণাকেই বদলে দিতে চলেছে। কারণ, এই বলে শুধু হাওয়া ভরলেই হবে না, ম্যাচের আগে সেটিকে চার্জও দিতে হবে! আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি এই বিশেষ বলের নাম রাখা হয়েছে ‘ট্রিওন্ডা’ (Trionda Ball)।

২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে তিন দেশ— আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকো। সেই তিন আয়োজক দেশের ঐতিহ্য ও পরিচয়কেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বলের নকশায়। বলটির গায়ে রয়েছে লাল, সবুজ ও নীল রঙের আকর্ষণীয় মিশ্রণ। পাশাপাশি তিন দেশের প্রতীকও ব্যবহার করা হয়েছে ডিজাইনে। কানাডার জন্য ম্যাপল পাতার চিহ্ন, মেক্সিকোর জন্য ঈগল এবং আমেরিকার জন্য তারার প্রতীক রাখা হয়েছে বলটিতে।

আরও পড়ুন: অবশেষে স্বস্তি পেলেন ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীরা, জানা গেল বিশ্বকাপ সম্প্রচারকারী চ্যানেলের নাম

‘ট্রিওন্ডা’ নামটির মধ্যেও রয়েছে বিশেষ তাৎপর্য। তিন আয়োজক দেশের প্রতিনিধিত্বকারী তিনটি ঢেউয়ের ধারণা থেকেই এসেছে এই নাম। তবে শুধু ডিজাইন নয়, প্রযুক্তির দিক থেকেও এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক যুগান্তকারী সংযোজন। বলটির ভিতরে বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক মোশন সেন্সর চিপ। মাত্র ১৪ গ্রাম ওজনের এই চিপটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। ফলে রিয়েল টাইমে বলের স্পর্শ, গতি, ঘূর্ণন, দিক পরিবর্তন এবং গতিপথ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ট্র্যাক করা যাবে।

স্টেডিয়ামের ক্যামেরা সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই প্রযুক্তি উন্নত ৩ডি ট্র্যাকিংয়ের সুবিধা দেবে। এর ফলে ভিএআর প্রযুক্তি আরও কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অফসাইড, হ্যান্ডবল, গোললাইন বা বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে রেফারিরা দ্রুত এবং আরও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ফুটবল প্রযুক্তিতে এটি একটি বড় বিপ্লব বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই সেন্সর চালানোর জন্য বলের ভিতরে রাখা হয়েছে একটি ছোট রিচার্জেবল ব্যাটারি। ম্যাচ শুরুর আগে বিশেষ চার্জিং ডিভাইসের মাধ্যমে বলটি সম্পূর্ণ চার্জ করতে হবে। একবার ফুল চার্জ হলে প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত এটি সচল থাকবে। অর্থাৎ সাধারণ ম্যাচ, অতিরিক্ত সময় এবং টাইব্রেকার— সব মিলিয়েও ব্যাটারি শেষ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে এত উন্নত হওয়ার কারণেই এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে দামি অফিসিয়াল ম্যাচ বল বলেও দাবি করা হচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’-এর তথ্য অনুযায়ী, ‘ট্রিওন্ডা’র দাম রাখা হয়েছে ১৭৫ মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ টাকা। ফলে এই বল সংগ্রহে রাখতে চাইলে ফুটবলপ্রেমীদের বেশ বড় অঙ্কের টাকা খরচ করতে হবে।

দেখুন আরও খবর:

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D AMANAHTOTO AMANAHTOTO Pakde4D slot gacor hari ini SlotPoker188 kecak4d