নয়াদিল্লি: জন্ম বা মৃত্যুর নথিভুক্তি আর ফেলে রাখলে চলবে না (Birth Registration)। নির্ধারিত সময়ের পর রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে গুনতে হতে পারে বাড়তি জরিমানা। এমনকি দীর্ঘ দেরির ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের বিশেষ অনুমতি ছাড়া আর নথিভুক্তি সম্ভব হবে না। সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশনেই জন্ম ও মৃত্যু নথিভুক্তিকরণ আইনে সংশোধনী আনার প্রস্তুতি নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (Parliament Monsoon Session)।
লোকসভার সচিবালয়ের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, বাদল অধিবেশনে আলোচনা ও পাশের জন্য তালিকাভুক্ত পাঁচটি বিলের অন্যতম হল জন্ম ও মৃত্যু নথিভুক্তিকরণ (সংশোধনী) বিল। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, জন্ম বা মৃত্যুর ঘটনা ঘটার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন না করালে ভবিষ্যতে আরও কঠোর নিয়মের মুখোমুখি হতে হবে।
আরও পড়ুন: ফিরছে কোভিডের আতঙ্ক? অন্ধ্রপ্রদেশে এক মাসে মৃত্যু ৪ জনের
বর্তমান নিয়মে ২১ দিনের মধ্যে জন্ম বা মৃত্যুর নথিভুক্তি করানো বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলে নির্ধারিত ফি দিয়ে স্থানীয় রেজিস্ট্রারের অনুমতিতে রেজিস্ট্রেশন করা যায়। তবে নতুন প্রস্তাবে ৩০ দিন থেকে দুই বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হলেও জেলা স্তরের রেজিস্ট্রারের অনুমতি লাগবে এবং জরিমানার পরিমাণও বাড়তে পারে।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন প্রস্তাব করা হয়েছে দুই বছরের বেশি দেরির ক্ষেত্রে। সে ক্ষেত্রে জেলা শাসক, মহকুমা শাসক বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া আর নথিভুক্তি করা যাবে না। অর্থাৎ আবেদনকারীদের অতিরিক্ত নথিপত্র জমা দিয়ে প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
সরকারি সূত্রের দাবি, সঠিক সময়ে জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত হলে জনসংখ্যা সংক্রান্ত পরিকল্পনা আরও নির্ভুল করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি মৃত ব্যক্তিদের পরিচয়পত্র বা অন্যান্য সরকারি নথির অপব্যবহার, জালিয়াতি এবং নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ঝুঁকি কমাতেও এই সংশোধনী কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে কেন্দ্র।







