ওয়েবডেস্ক- রাত পোহালেই ভোট (Election) । আটোসাঁটো নিরাপত্তা (Strict Security) রাজ্যজুড়ে। পুলিশ (Police) , কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) সব দিক দিয়ে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে রাজ্য। বুথগুলিতে ওয়েবকাস্টিং, সিসিক্যামেরা, এআই নজরদারি থাকছে। ফলে কালকেই বাংলায় মহারণ। এসআইআর-এর চুলছেঁড়া বিশ্লেষণের পর এবার বুথমুখী হবে ১৪২ বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটাররা।
এসআইআর পরবর্তী পর্বে জানা গেছে শতায়ু ভোটারের (Centenarian voter) সংখ্যা রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটে ৩ হাজার ২৪৩ জন। ১০০ পার করা সবচেয়ে বেশি ভোটার রয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এই জেলায় শতায়ু ভোটারের সংখ্যা ৮৫৩। এর পরের স্থানে রয়েছে নদিয়া, যেখানে ১০০ পার করেছে এই রকম ভোটারের সংখ্যা ৭৯১। উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা শতায়ু ভোটারের সংখ্যা এই দুই জেলার তুলনায় কম। উত্তর কলকাতায় ৩৭ বার দক্ষিণ কলকাতায় ২৪।
২৩ তারিখ প্রথম দফা সম্পন্ন হয়েছে। ফলে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে কমিশন। মুখোমুখি হয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, প্রথম দফায় বেশ কিছু জায়গা থেকে কিছু ঘটনার খবর এসেছিল। ভোটের দিন সেরকম কিছু হয়নি। কিছু ছোটখাট ঘটনা হবে, কিছু লোকের কাজই থাকে ঝামেলা করা। কিন্তু তার জন্য আইন রয়েছে। তাই অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটই হবে রাজ্য। মানুষের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ”প্রথম দফা হোক বা দ্বিতীয় দফা, আমাদের প্রস্তুতি গোটা রাজ্যের জন্যই রয়েছে। প্রথম দফায় সকলের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে, ৯৩% মানুষ ভোট দিয়েছেন। দ্বিতীয় দফায় রাজ্যবাসীর কাছেই লক্ষ্যটা আরও বেশি, মানুষ তাদের অধিকার বুঝেছে।
আরও পড়ুন- দ্বিতীয় দফার আগেই রাজ্যের ডিজিপিকে চিঠি কমিশনের, কী আছে সেই বার্তায়?
ভোটারদের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে যাকে ইচ্ছা ভোট দেওয়ার। কেউ যদি আটকায় বা ধমকায়, আমাদের কন্ট্রোল রুম নম্বর রয়েছে সেখানে যোগাযোগ করুক, থানায় যাক। কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও জানাতে পারেন। যেমন দুর্গাপুজোর সময় প্যান্ডেলে যান, আনন্দ করেন সেইভাবেই ভোট দিয়ে আসুন’। মনোজ আগরওয়াল বলেন, প্রথম দফায় এলাকা থেকে বেশি ছিল, সেখানে আমরা সফল হয়েছি।
আশা করছি দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি আগেরবারের থেকে ভালো হবে। যা যা বাড়তি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা আমরা নিচ্ছি’।







