উত্তর ২৪ পরগনা: রাজ্যে সরকার বদলালেও ভাঙড়ে (Bhangar) গোষ্ঠী কোন্দলের ছবিটা বদলাল না। নতুন সরকার গঠনের পরও রাজ্য রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় প্রকাশ্যে এল বিজেপির (BJP) গোষ্ঠীদ্বন্দ। পদ্ম বিধায়কের বিজয় মিছিলে দেখা গেল না দায়িত্বে থাকা নেতা-কর্মীদের, যা নিয়ে শিবিরের অন্দরে শুরু নয়া অস্বস্তি।
বুধবার সকালে ২০২১-এর বিজেপি প্রার্থী সৌমি হাতী ও শান্তি হাতীর নেতৃত্বে ব্যাওতা ১ ও ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বামনঘাটা এলাকায় কয়েকশো টোটো নিয়ে বিজয় মিছিল করা হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া কর্মীদের জন্য পানীয় জল, শরবত, লাড্ডু ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে সেই কর্মসূচিতে দেখা যায়নি ভাঙড় বিধানসভায় বর্তমানে দলের দায়িত্বে থাকা নেতাদের।
আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত পরিবর্তনের খেলায় জড়িতদের রেয়াত নয়! দলের নেতা কর্মীদের কড়া বার্তা শমীকের
অন্যদিকে একইদিন বিকেলে ঘটকপুকুরে বিজেপির যাদবপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি, মণ্ডল সভাপতি সহ জেলা ও ২০২৬-এর বিজেপি প্রার্থী স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে আলাদা জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আবার অনুপস্থিত ছিলেন সৌমি হাতী-শান্তিহাতী সহ তাদের ঘনিষ্ঠরা। এই দুই আলাদা কর্মসূচিকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
বিরোধীদের দাবি, নতুন সরকার এলেও ভাঙড়ে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্বের ছবি বদলায়নি। যদিও যাদবপুর জেলা সাংগঠনিক সভাপতি মনোরঞ্জন যোদ্ধার বলেন, “অতি উৎসাহী কিছু মানুষ ও অন্য দল থেকে আসা কয়েকজন এই কর্মসূচি করছে, তবে এতে দলের কোনও সমস্যা নেই।” অন্যদিকে ভাঙড়ের বিজেপি নেতা তথা যাদবপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি অবনী মন্ডল জানান, “ওই প্রোগ্রামে তাঁদের কোনও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে যারা করেছে তাঁদের বিষয়টি দল বিবেচনা করবে। অন্যদিকে সৌমি হাতি দাবী করেন যাঁরা দায়িত্বে রয়েছে, তাঁদের সকলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম বিকেলে কর্মসূচি থাকাই কেউ আসতে পারিনি।”
দেখুন আরও খবর:







