Wednesday, May 20, 2026
HomeScrollবিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা, অবস্থান স্পষ্ট করল বিধানসভা
Shovondeb Chattopadhyay

বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা, অবস্থান স্পষ্ট করল বিধানসভা

শোভনদেবের বিরোধী দলনেতা হওয়া নিয়ে চরম জটিলতা!

কলকাতা: বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা (Opposition Leader Controversy) নির্বাচন এবং বিরোধী দলের স্বীকৃতি ঘিরে জটিলতা আরও বাড়ল। বুধবার বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠক করে এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি সৌমেন্দ্র দাস। তিনি জানান, বিরোধী দলের তরফে একটি চিঠি জমা পড়েছে ঠিকই, তবে সেই চিঠিতে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। ফলে বিষয়টি এখন অধ্যক্ষের বিবেচনার উপর নির্ভর করছে।তাঁর সাফ বক্তব্য, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Shovondeb Chattopadhyay) বিরোধী দলনেতা করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিয়ম মানেনি তৃণমূল কংগ্রেস।

সৌমেন্দ্র দাস বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক একটি চিঠি দিয়ে পরিষদীয় দলের পদাধিকারীদের নামের তালিকা পাঠিয়েছেন। কিন্তু সেই চিঠিতে পরিষদীয় দলের বৈঠক কবে হয়েছে, সেই বৈঠকে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং কারা সম্মতি দিয়েছেন, সেই সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ নেই। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী এই সমস্ত তথ্য স্পষ্টভাবে জমা দিতে হবে। সেই নথি অধ্যক্ষের কাছে পেশ করা হলে তিনিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি।এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের পদক্ষেপ। তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই একটি আরটিআই দায়ের করেছেন। সেখানে ২০১১ এবং ২০১৬ সালে কীভাবে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন হয়েছিল এবং কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল, সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, অতীতের নজির সামনে এনে বর্তমান পরিস্থিতিকে প্রশ্নের মুখে ফেলতেই এই পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন:আজ থেকেই সম্পূর্ণভাবে চালু হল CAA, নবান্নে বৈঠক থেকে আর কী ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর?

বিধানসভায় এখনও পর্যন্ত শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় তাঁর বসার ঘর পাননি। অথচ ইতিমধ্যেই তাঁকে তৃণমূল পরিষদীয় দলের তরফে বিরোধী দলনেতা হিসাবে নির্বাচিত করার কথা জানানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরটি তালাবন্ধই রয়েছে।বিধানসভার সচিব একটি চিঠি পেশ করে জানান, তৃণমূলের পক্ষ থেকে যে আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তার সঙ্গে বিধায়কদের কোনও ‘রেজুলিউশন কপি’ বা সমর্থনপত্র যুক্ত ছিল না। অর্থাৎ, শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে দলের কতজন বিধায়ক সমর্থন করছেন, তার কোনও লিখিত প্রমাণ বা উল্লেখ সেখানে ছিল না। একই ত্রুটি ছিল ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার আবেদনের ক্ষেত্রেও। সচিবের বক্তব্য, এই আইনি ও প্রশাসনিক ঘাটতির কারণেই বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু নিয়ম মেনে দলীয় সিদ্ধান্তের রেজুলিউশন কপি চেয়েছিলেন, যা জমা দেওয়া হয়নি।

এদিকে একই দিনে বিধানসভা চত্বরে বি আর আম্বেদকরের মূর্তির সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হয় তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দল। হকার উচ্ছেদ, বুলডোজার অভিযান, নির্বাচন-পরবর্তী হিংসা, সাধারণ মানুষের ধর্মাচরণের অধিকারে হস্তক্ষেপ এবং পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এই কর্মসূচি নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে তৃণমূল।তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্যে ‘বুলডোজার রাজনীতি’ চালানো হচ্ছে এবং সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগও তুলে সরব হয়েছে তারা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিধানসভায় বিরোধী দলের স্বীকৃতি নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই আন্দোলনের রাজনীতিতে ফের সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিতে চাইছে তৃণমূল।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor idn poker toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto istanaslot istanaslot sohibslot