ওয়েব ডেস্ক : ভোট পরবর্তী হিংসা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বাংলায় প্রথমবার ক্ষমতায় এসে এমনটাই জানিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। এর মাঝে শনিবার সোনারপুরে (Sonarpur) গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ছোড়া হল ডিম, উঠল ‘চোর’ স্লোগানও। এই ঘটনা নিয়ে বিজেপি রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নেই। এটা মানুষের জনরোষ বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিন অভিষেক (Abhishek Banerjee) অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর আসার কথা পুলিশকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তা সত্বেও তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে শমীক বলেছেন, “পুলিশ কেন নেই, সেটা তো আমি বলতে পারি না। আমি তো দলের প্রতিনিধি। সেটা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার বলতে পারবে।” সঙ্গে হিংসা বর্জন করার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
আরও খবর : আর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই প্রবল কালবৈশাখীর সম্ভাবনাস, ভিজবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ
এছাড়া মমতা সরকারের আমলে তৃণমূল নেতা, কর্মীদের একের পর এক ‘কীর্তি’ তুলে ধরেন শমীক। বলেন, “এখানে আর হিংসার রাজনীতি চলবে না। এগুলো সুস্থ সমাজে কাম্য নয়।’ রাজ্য বিজেপি সভাপতি আরও বলেন, ‘ক্ষোভ থাকতেই থাকতে পারে, কিন্তু এই ধরনের ঘটনা যারা ঘটাচ্ছেন, তা সুস্থ, স্বাভাবিক, গণতান্ত্রিক সমাজে কাম্য নয়। এর সঙ্গে আমার দল দূর-দূর পর্যন্ত যুক্ত নয়।’
শমীক আরও বলেন, ‘বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীকে গাড়ির মধ্যে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল উত্তরবঙ্গে। ১০৪ বার হাইকোর্টে তাঁকে যেতে হয়েছিল সভা করার অনুমতি চেয়ে। যা অত্যাচার তৃণমূল করেছে আমাদের কর্মী-মহিলাদের সঙ্গে। আজ আমরা সংযত আছি বলেই তৃণমূল অক্ষত আছে।” তিনি আরও বলেছেন, ‘অন্য কোনও দল থাকলে এতক্ষণ সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে বলার সুযোগ পেতেন না। কীসের ডায়মন্ড হারবার মডেল? কেন ফলতায় প্রচারে আসেননি? এখনও বলছি, হিংসার পথ ছাড়ুন। সবাইকে শান্তিতে থাকতে দিন।’
দেখুন অন্য খবর :







