ওয়েব ডেস্ক : সোনারপুরে (Sonarpur) তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। নিহত কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে প্রবেশ করার আগেই হেনস্থার মুখে পড়েন তিনি। অবশেষে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় সেই থেকে বেরতে পারেন তিনি। সেখান থেকে সোজা হাসপাতালে পৌঁছন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সেখানে তাঁকে দেখতে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjere)। তবে অভিষেক অন্য হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মমতা (Mamata Banerjere)। এক্স হ্যান্ডেলে মমতা লিখলেন, “শাসকই খুনি হয়ে উঠেছে।” তার পরেই অভিষেককে দেখতে সোজা হাসপাতালে পৌঁছে যান বলে তিনি। মমতার সঙ্গে ছিলেন অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এছাড়া তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনও পৌঁছন হাসপাতালে। তবে এদিন হাসপাতাল থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এখানে ট্রিটমেন্ট হচ্ছে না। অন্য হাসপাতালে শিফট করছি।”। এর পরেই অভিষেককে নিয়ে অন্য হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন মমতা।
আরও খবর : শাসকই ঘাতকে পরিণত হয়েছে, অভিষেকের উপর হামলায় গর্জে উঠলেন মমতা
এদিন সোনারপুরে হেনস্থার শিকার হওয়ার পর অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেছিলেন, ‘‘এই হল ডবল ইঞ্জিনের নমুনা। সবাই চেয়েছিল, ডবল ইঞ্জিন হোক। ওরা চায়, আমাদের মেরে ফেলতে। মারুক। আমার মৃতদেহ এখান থেকে বেরবে। আমার মাথাটা বেঁচে গেল শুধু হেলমেট ছিল বলে। পুলিশ কোথাও নেই। সব ঘটনার ভিডিও রেকর্ড রইল। পুলিশকে খবর দেওয়া হোক। আমি এখান থেকে বেরিয়ে যেতেই পারি। কিন্তু এই পরিবারের উপর হামলা হবে তারপর। আমি এখন এঁদের ছেড়ে যেতে পারব না। বাহিনী পাঠিয়ে আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।” এর পরে অভিষেককে পুলিশি নিরাপত্তায় সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখান থেকে অভিষেককে বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। তাঁকে সেখানে দেখতে এসেছিলেন মমতা। তবে জানিয়ে দেন, এখানে অভিষেকের চিকিৎসা হবে না। তাই তাঁকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
দেখুন অন্য খবর :







