ওয়েব ডেস্ক : আমেরিকার (America) মধ্যস্থতায় ইজরায়েল (Israel) ও লেবাননের (Lebanon) মধ্যে স্বাক্ষরিত হল সংঘর্ষবিরতি চুক্তি। এই সমঝোতা অনুযায়ী, লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার করবে ইজরায়েল। এরপর সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে লেবাননের সেনাবাহিনী। তবে চুক্তি হলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
শুক্রবার ওয়াশিংটনে লেবাননের (Lebanon) রাষ্ট্রদূত নাদা মোয়াদ এবং ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে সই করেন। চুক্তির পর মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও বলেন, শান্তির পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হলেও এখনও বহু কাজ বাকি। তাঁর মতে, এই সমঝোতা ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।
আরও খবর : ভেনেজুয়েলার পর এবার কেঁপে উঠল ফিলিপিন্স!
তবে এই চুক্তিকে প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছে হেজবোল্লা (Hezbollah)। দাবি করা হয়েছে, তারা কোনওভাবেই এই সমঝোতা কার্যকর করতে সহযোগিতা করবে না। পাশাপাশি সতর্কবার্তা দিয়ে তারা জানিয়েছে, আমেরিকার সমর্থন ছাড়া লেবাননের প্রশাসন এই চুক্তি বাস্তবায়ন করতে পারবে না। এমনকি প্রয়োজন হলে দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। বিশ্লেষকদের মতে, হেজবোল্লার এই অবস্থান নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে সরাসরি আলোচনার বিরোধিতা করে আসছে সংগঠনটি। ফলে কাগজে-কলমে চুক্তি হলেও বাস্তবে তা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা পায়। এরপর সীমান্তে হামলার তীব্রতা বাড়ায় হেজবোল্লা এবং লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। ইজরায়েলি সেনার অভিযানে লেবাননে চার হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর ।
দেখুন অন্য খবর :







